প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের আত্মজীবনী প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর
নয়াদিল্লি, ১২ আগস্ট (হি.স.): নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে বুধবার প্রকাশিত হলো প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের আত্মজীবনী। সেই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছিলেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাও। ট্রায়াম্ফ অফ দ্য ইন্ডিয়
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের আত্মজীবনী প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর


নয়াদিল্লি, ১২ আগস্ট (হি.স.): নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে বুধবার প্রকাশিত হলো প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের আত্মজীবনী। সেই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছিলেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাও। ট্রায়াম্ফ অফ দ্য ইন্ডিয়ান রিপাবলিক : মাই লাইফ, মাই স্ট্রাগলস” শীর্ষক এই বইতে ভারতের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি তাঁর বর্ণময় জীবনের নানা কাহিনী তুলে ধরেছেন।

এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর জীবন ও কর্মদক্ষতা সম্পর্কে আমার যে ধারণা ও জ্ঞান রয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে আমি পূর্ণ আস্থার সঙ্গে বলতে পারি, রামনাথ কোবিন্দজির আত্মজীবনী ভারতীয় গণতন্ত্র ও সমাজের জন্য এক অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠবে। কোবিন্দজির জীবন-পরিক্রমা এবং সমাজ ও দেশের প্রতি তাঁর অবদান নিয়ে আমি অনেক কথাই বিস্তারিতভাবে বলতে পারি; তবে বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানটি কেবল একটি সূচনাপর্ব বা ‘কার্টেন-রেজার’ হিসেবেই থাকা উচিত। আপনারা নিজেরা বইটি পড়ে এর পূর্ণ সুফল গ্রহণ করলেই তা সবচেয়ে ভালো হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোবিন্দজির জীবন-পরিক্রমা সম্পর্কে তাঁর নিজের কথাতেই জানুন। দেশের নতুন প্রজন্ম তাঁর লেখা ও অভিজ্ঞতার কথা পড়ুক; এগুলি থেকে সবারই অনেক কিছু শেখার আছে। কোবিন্দজি এই বইটির জন্য অত্যন্ত যথার্থ একটি শিরোনাম বেছে নিয়েছেন: ‘ট্রায়াম্ফ অফ দ্য ইন্ডিয়ান রিপাবলিক: মাই লাইফ, মাই স্ট্রাগলস’। এর অন্তর্নিহিত বার্তাটি হলো—যদিও তাঁর জীবন ও সেই জীবনের সংগ্রাম ছিল একান্তই ব্যক্তিগত, তবুও সেই সংগ্রামের ফলে অর্জিত জয় আসলে ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের—ভারতের গণতন্ত্রের। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর (প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ) সঙ্গে আমার সাক্ষাতের কথা মনে পড়ে। প্রথাগত আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়েও তিনি প্রায়শই আন্তরিক আলাপচারিতায় মেতে উঠতেন। শুরুতে আমি তাঁকে এমনটা না করার অনুরোধ জানিয়েছিলাম। তবুও, তিনি কখনোই সেই বিনয় ত্যাগ করেননি। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর যখন তিনি তাঁর গ্রাম 'পারাউঙ্খ'-তে গিয়েছিলেন, তখন শ্রদ্ধাবনত হয়ে শিক্ষকদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছিলেন। তিনি গ্রামের মাটির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন এবং সাধারণ গ্রামবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন। সমগ্র দেশ সেই হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছিল। তাঁর আচরণ বিশ্বের সামনে ভারতের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের এমন এক প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছিল—যে ছবি প্রতিটি ভারতীয়কে গর্বে পূর্ণ করে তোলে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande