প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে শুভকামনা পশ্চিমবঙ্গের লোক ভবনের তরফে
কলকাতা, ১৭ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গের লোক ভবনের তরফে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে শুভকামনা জানানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় লেখা হয়েছে যে, - পশ্চিমবঙ্গের জনগণের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধ
লোকভবনের তরফেও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই


কলকাতা, ১৭ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গের লোক ভবনের তরফে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে শুভকামনা জানানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় লেখা হয়েছে যে, - পশ্চিমবঙ্গের জনগণের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জি-কে তাঁর জন্মদিনে জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা, প্রীতি ও পরম শুভকামনা।

জনসেবায় তাঁর অসাধারণ অভিযাত্রা জনশক্তির প্রতি তাঁর অটল আস্থা এবং এই গভীর বিশ্বাসের প্রকাশ যে, দেশবাসীর উৎকর্ষের মাধ্যমেই ভারতের প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব। বিগত দ্বাদশ বছরে এই দূরদর্শী ভাবনা সমাজের অন্তিম ব্যক্তির নিকট পৌঁছে দিয়েছে মর্যাদা ও সুযোগ; দরিদ্র, কৃষক, শ্রমিক, কারিগর ও জনজাতি সম্প্রদায়ের জন্য উন্মোচিত করেছে প্রগতির নবদিগন্ত; নারীশক্তিকে এনে দিয়েছে রূপান্তরের অগ্রভাগে; এবং যুবশক্তিকে পরিণত করেছে উদ্ভাবন, শিল্পোদ্যোগ ও জাতি গঠনের এক অদম্য শক্তিতে।

পশ্চিমবঙ্গের সহিত তাঁর নিবিড় ও দীর্ঘস্থায়ী আত্মিক সংযোগেও একই লক্ষ্যনিষ্ঠতার সুস্পষ্ট প্রতিচ্ছবি বিদ্যমান। বাংলার সভ্যতাগত ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শনপূর্বক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোদী জি ধারাবাহিকভাবে বাংলার পুনরুত্থানকে তাঁর উন্নয়ন-ভাবনার কেন্দ্রে অধিষ্ঠিত রেখেছেন। সুদৃঢ় যোগাযোগ ব্যবস্থা, আধুনিক পরিকাঠামো, শিল্পোদ্যোগ, বিনিয়োগ এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি বাংলার অগ্রগতির পথকে আরও সুসংহত করার লক্ষ্যে ব্রতী রয়েছেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে অপূর্ণ থেকে যাওয়া সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ প্রদানের নিমিত্ত তাঁর সংকল্প হলো বাংলার ঐতিহাসিক গতিশীলতাকে পুনরুদ্ধার করা এবং তাকে পুনরায় ভারতের প্রগতির এক শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে পরিণত করা।

তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে ভারত আজ অভূতপূর্ব গতি ও পরিধির সহিত সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে। প্রান্তিক মানুষের অন্তর্ভুক্তি থেকে শুরু করে বিশ্বমানের পরিকাঠামো নির্মাণ, ডিজিটাল রূপান্তর থেকে প্রাণবন্ত স্টার্টআপ সংস্কৃতি, এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও আত্মনির্ভরতা থেকে শুরু করে দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, সেমিকন্ডাক্টর, উদীয়মান প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণার নতুন দিগন্ত পর্যন্ত—একসময় যা সুদূরপরাহত বলে মনে হতো, আজ তা আমাদের সম্পূর্ণ নাগালের মধ্যে। ভারত এখন সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন দেখে, আরও সুদৃঢ় ভিত্তি নির্মাণ করে এবং নেতৃত্ব প্রদানের দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলে।

এই যুগান্তকারী যাত্রা জাতীয় চেতনাকেও নবকলেবরে রূপায়িত করছে, যেখানে কল্যাণ রূপান্তরিত হচ্ছে মর্যাদায়, সুযোগ পরিণত হচ্ছে স্বাবলম্বিতায় এবং সুবিধাভোগীরা হয়ে উঠছেন জাতি গঠনের সক্রিয় অংশীদার। আমাদের গ্রাম থেকে বিশ্বমঞ্চে, তৃণমূল স্তরের উদ্যোগ থেকে চন্দ্রাভিযানের সীমান্ত পর্যন্ত—ভারত এগিয়ে চলেছে এক প্রাচীন সভ্যতার আত্মবিশ্বাস এবং এক তরুণ জাতির উচ্চাকাঙ্ক্ষা সমন্বয়ে।

মা কালী প্রধানমন্ত্রী মোদী জি-কে দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন প্রদান করুন এবং ভারতমাতার নিবেদিত সেবায় নিরন্তর শক্তি যোগান। ২০৪৭ সালের মধ্যে এক আত্মনির্ভর ও বিকশিত ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে তাঁর নিরলস জনসেবা প্রতিটি ভারতবাসীর সম্মিলিত সংকল্পকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করুক।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande