
কলকাতা, ১৫ জানুয়ারি (হি. স.): বৃহস্পতিবার কলকাতায় ললিত কলা অ্যাকাডেমিতে সূচনা হলো তৃতীয় প্রিন্ট বিনায়েল ইন্ডিয়া-র| এরই সঙ্গে ললিত কলা অ্যাকাডেমির কলকাতার আঞ্চলিক দফতরের নতুন ভবনেরও উদ্বোধন হলো। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা শিল্পকলাকে এক ছাদের তলায় নিয়ে আসার লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন ভবন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত।
এদিন তাঁর বক্তব্যের শুরুতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত। তিনি বলেন, ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দে মাতরম ধ্বনির মধ্য দিয়ে এক সুতোয় গাঁথা প্রতিটি ভারতবাসী। এই মন্ত্রকে মাথায় নিয়ে দেশকে স্বাধীন করতে প্রাণ দিয়েছেন শত শত বীর। তিনি আরও বলেন, বিকশিত ভারত গড়ে উঠবে দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশের মধ্যে দিয়ে। এও বলেন, দেশের প্রাচীনতম শিল্পের নিদর্শনগুলিকে সযত্নে সংরক্ষণ করে অতীতের চিহ্ন রাখতে হবে ভবিষ্যতের জন্য। তিনি তাঁর বক্তব্যে শ্রদ্ধা জানান শিল্পী নন্দলাল বসু এবং রামকিঙ্কর বেইজের শিল্পকলায় অসামান্য অবদানের প্রতি ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নতুন দিল্লির ললিত কলা অ্যাকাডেমির ভাইস চেয়ারম্যান নন্দ লাল ঠাকুর। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ভারতের প্রাচীন শিল্পকলার প্রসঙ্গ। জানা যায়, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের শিল্পকেও তুলে ধরার কাজ করেছে এই প্রতিষ্ঠান। বাংলা তথা ভারতীয় শিল্পকলায় বিশিষ্ট শিল্পী ডঃ নিরঞ্জন প্রধানের বিশেষ অবদানকে স্মরণ করে এদিন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে দুর্গাবন্দনার সঙ্গে শাস্ত্রীয় নৃত্য উপস্থাপিত হয়। রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। এছাড়াও, ললিত কলা অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে প্রদর্শিত হয় এক বিশেষ ভিডিও| সেখানে নতুন ভবনের খুঁটিনাটি তুলে ধরা হয়| পাশাপাশি, প্রকাশিত হয় বিশেষ পুস্তিকা। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সুকন্যা রায়|
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৃজিতা বসাক