“আপনি তো দেবতাদেরও ছাড়ছেন না”, মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ ডঃ শঙ্কর ঘোষের
কলকাতা, ১৬ জানুয়ারি, (হি স): “এতদিন জানতাম মানুষ মানুষকে ঠকানোর ঘটনা, আর আপনি তো দেবতাদেরও ছাড়ছেন না।” সমাজ মাধ্যমে এ কথা লিখলেন বিজেপি বিধায়ক ডঃ শঙ্কর ঘোষ। তিনি লিখেছেন, “জগন্নাথ কালচারাল সেন্টারের নামে জগন্নাথ মন্দির তৈরি করে প্রচার করেছেন র
“আপনি তো দেবতাদেরও ছাড়ছেন না”, মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ ডঃ শঙ্কর ঘোষের


কলকাতা, ১৬ জানুয়ারি, (হি স): “এতদিন জানতাম মানুষ মানুষকে ঠকানোর ঘটনা, আর আপনি তো দেবতাদেরও ছাড়ছেন না।” সমাজ মাধ্যমে এ কথা লিখলেন বিজেপি বিধায়ক ডঃ শঙ্কর ঘোষ।

তিনি লিখেছেন, “জগন্নাথ কালচারাল সেন্টারের নামে জগন্নাথ মন্দির তৈরি করে প্রচার করেছেন রাজ্যের সরকারের কোষাগারের টাকা থেকে, যা নিয়ম বিরুদ্ধে।

২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের 2/3 মাস আগে, একই ধরনের প্রতারণা করতে চলেছেন মহাকালের নামে ।

এই সময়কালে আপনার মন্দির তৈরি হবে না সেটা সবাই জানে, নির্বাচন সাঙ্গ হবার পরে আপনি এই মন্দির তৈরীর করতেই পারতেন ।

সেটা করলেন না কেন, এই ভয়ে যে আপনাকে মানুষ আর সুযোগ দেবে না ২০২৬-এর নির্বাচনে?

মহাকালের প্রকোপে ২০২৬-এ আপনাকে বিদায় নিতে হবে এবং এই মহাকাল মন্দির হিন্দুদের দানে যখন তৈরি হবে আপনি এই মন্দিরে উপস্থিত হয়ে প্রার্থনা করতে চাইলে আসতে হবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ।

তবে সেই ইচ্ছে আপনার থাকবে কিনা সে নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে আসলে এগুলো আপনার ভোট কেন্দ্রিক উদ্বোধন !ভোটে হেরে যাওয়ার পরে এক্ষেত্রে আপনার টিকি খুঁজে পাওয়া যাবে না বলেই আমার ধারণা।

2) আজকে এই প্রসঙ্গে না বললেই নয়, গতকাল সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হলো যে মুখ্যমন্ত্রী ED officer একটি মোবাইল সহ অন্যান্য কিছু সংগ্রহ করে নিয়ে এসেছেন এই তদন্ত চলাকালীন অবস্থায়!

একজন পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী এই আচরণ আপনি কতখানি গর্বিত করেছেন , একবার আপনি নিজেই ভাবুন।

মুখ্যমন্ত্রী ছিনতাইবাজ না নাকি তোলাবাজদের অধিপতি কে ধাত্রী হিসেবে রক্ষা করবার চেষ্টা করেছেন ?

সময় বলবে এটা।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande