মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরে অযথা শুনানিতে ডেকে হয়রানি বন্ধ করতে চিঠি বিধায়কের
কলকাতা, ১৬ জানুয়ারি (হি. স.): রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালকে শুক্রবার চিঠি লিখে ভোটারদের অহেতুক হয়রানি বন্ধ করতে সরব হলেন বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। এদিন নির্বাচন কমিশনে এই মর্মে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। উক্ত চিঠিতে
মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরে অযথা শুনানিতে ডেকে হয়রানি বন্ধ করতে চিঠি বিধায়কের


কলকাতা, ১৬ জানুয়ারি (হি. স.): রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালকে শুক্রবার চিঠি লিখে ভোটারদের অহেতুক হয়রানি বন্ধ করতে সরব হলেন বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। এদিন নির্বাচন কমিশনে এই মর্মে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। উক্ত চিঠিতে মোট ১০ দফা দাবি জানানো হয়েছে।​চিঠিতে নওশাদ সিদ্দিকী উল্লেখ করেছেন যে, গণনা পরবর্তী পর্যায়ে ভোটারদের নিয়ে অযৌক্তিক অসঙ্গতির প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বিশেষ করে, সন্তান ও পিতা বা মাতার ন্যূনতম বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম বা ৫০ বছরের বেশি হলে তাঁদের শুনানিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। এমনকি শুনানিতে ডেকে অপমানজনক নোটিশ ধরানো এবং প্রজেনি ম্যাপিং-এর নামে সর্বস্তরের মানুষকে তলব করার অভিযোগও তোলা হয়েছে। এছাড়া নামের বানানে সামান্য ভুল থাকলেও ভোটারদের সশরীরে হাজির হতে বলা হচ্ছে এবং ভিন রাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিকদেরও ডেকে পাঠিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবিতে জানানো হয়েছে।​উল্লেখ্য, ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীসহ অন্যান্যরা এই পত্রে স্বাক্ষর করেছেন। প্রসঙ্গতঃ, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) কাজের জন্য বর্তমানে বৈধ ভোটারদের নিয়ে শুনানি পর্ব চলছে। ২০০২ সাল থেকে ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষকে ফের ডেকে পাঠিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই নিয়ে রাজ্য সরকার ও বিরোধী দলগুলির পক্ষ থেকেও জেলাস্তরে বারবার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। অনেক জায়গায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশান্তিও ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্টের তরফেও সিইও অফিসে চিঠি জমা দিয়ে অবিলম্বে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande