জয়রামবাটী–বাঁকুড়া ট্রেন পরিষেবা চালু, উচ্ছ্বাস এলাকায়
বাঁকুড়া, ১৮ জানুয়ারি (হি.স.) : দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জয়রামবাটী–বাঁকুড়া রেলপথে ট্রেন পরিষেবা শুরু হলো। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিঙ্গুরের সভা থেকে রিমোটের মাধ্যমে এই রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। নতুন এই সংযোগে খুশির হাওয়া এলাকায়
জয়রামবাটী–বাঁকুড়া ট্রেন পরিষেবা চালু, উচ্ছ্বাস এলাকায়


বাঁকুড়া, ১৮ জানুয়ারি (হি.স.) : দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জয়রামবাটী–বাঁকুড়া রেলপথে ট্রেন পরিষেবা শুরু হলো। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিঙ্গুরের সভা থেকে রিমোটের মাধ্যমে এই রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। নতুন এই সংযোগে খুশির হাওয়া এলাকায়।

পূর্ব রেল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চলমান বাঁকুড়া–ময়নাপুর–বাঁকুড়া মেমু লোকাল ট্রেনটিকেই সম্প্রসারিত করে জয়রামবাটী পর্যন্ত চালু করা হয়েছে। সোমবার, ১৯ জানুয়ারি থেকে নিয়মিত যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে। সারদা মায়ের স্মৃতিবিজড়িত জয়রামবাটী থেকে ট্রেনটি ময়নাপুর, জয়পুর, বিরসা মুন্ডা, গোকুলনগর, বিষ্ণুপুর হয়ে বাঁকুড়া যাতায়াত করবে।

জয়রামবাটী স্টেশনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া ডিআরএম, জয়রামবাটী রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী, বিধায়ক দিবাকর ঘরামি, বিধায়ক নির্মল ধাড়া সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। এছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

রবিবার দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে জয়রামবাটী থেকে ট্রেনটির প্রথম যাত্রা শুরু হয় এবং বিকেল ৫টা ১৫ মিনিট নাগাদ বাঁকুড়ায় পৌঁছায়। নিয়মিত পরিষেবায় ট্রেনটি প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে বাঁকুড়া থেকে ছেড়ে রাত ৮টায় জয়রামবাটী পৌঁছাবে। সেখান থেকে রাত ৮টা ১০ মিনিটে ছাড়বে এবং রাত ১০টায় বাঁকুড়ায় পৌঁছাবে।

এই ট্রেনটি বাঁকুড়া ও জয়রামবাটীর মধ্যে ভেদুয়াশোল, ওন্দাগ্রাম, রামসাগর, বিষ্ণুপুর, বিরসা মুন্ডা, গোকুলনগর-জয়পুর, ময়নাপুর ও বড়গোপীনাথপুর—মোট আটটি স্টেশনে দাঁড়াবে। এতদিন ট্রেনটি বাঁকুড়া থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত চলাচল করলেও এবার বড়গোপীনাথপুর হয়ে জয়রামবাটী পর্যন্ত সম্প্রসারিত হলো। নতুন এই রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ কিলোমিটার।

রেল কর্তৃপক্ষের মতে, এটি বহু আকাঙ্ক্ষিত তারকেশ্বর–বিষ্ণুপুর রেলপ্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই সংযোগ চালু হওয়ায় জয়রামবাটীর পর্যটন উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে যাতায়াত আরও সহজ হলো।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande