
ওয়াশিংটন, ২৪ জানুয়ারি (হি.স.): আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের “ইরানে বিশাল নৌবহর যাচ্ছে” মন্তব্যের পর ইরানে হামলার শঙ্কা বেড়েছে। এই অস্থির পরিস্থিতির কারণে একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা মধ্যপ্রাচ্যে বিমান বাতিল বা স্থগিত করেছে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় ডাচ কেএলএম, লুফৎহানসা, এয়ার ফ্রান্সের মতো বিমান পরিষেবা সংস্থাগুলি মধ্যপ্রাচ্যে বিমান চলাচল আপাতত স্থগিত রেখেছে। এর ফলে বিশেষত ইজরায়েল, দুবাই ও রিয়াধের মতো গন্তব্যগুলি প্রভাবিত হয়েছে। সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এয়ার ফ্রান্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাময়িক ভাবে দুবাইয়ে বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে। ডাচ কেএলএম-ও ইরান, ইরাক ও লাগোয়া অঞ্চলের আকাশসীমা ব্যবহার করে যে সব বিমান, সেগুলির পরিষেবা আপাতত বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ যখন সহিংস রূপ নেয়, ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী তা কঠোরভাবে দমন করে। তখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দিয়েছিলেন। এর ফলে ইরানে যে কোনও সময় হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। যদিও কিছু সময় ট্রাম্প এই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন, তবে সম্প্রতি তিনি আবারও হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে বিমান বাতিলের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পেও প্রভাব পড়বে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, বিমান বাতিলের ফলে যাত্রীদের যাতায়াত সমস্যা হবে এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে সংযোগও বিঘ্নিত হবে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ