রিমোট পরিচালিত লাইফবয় ওয়াটার ড্রোন সাগরমেলায়
গঙ্গাসাগর, ৬ জানুয়ারি (হি. স.) : পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে এ বার সাগরমেলায় প্রথমবার অত্যাধুনিক রিমোট কন্ট্রোল লাইফবয় ওয়াটার ড্রোন ব্যবহার করা হল। নদী ও সমুদ্রের স্রোত, কুয়াশা কিংবা ভিড়ের মধ্যেও দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর লক্ষ্যে এই
ইসরো'র সাহায্য, ভেসেল নজরদারিতেই


গঙ্গাসাগর, ৬ জানুয়ারি (হি. স.) : পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে এ বার সাগরমেলায় প্রথমবার অত্যাধুনিক রিমোট কন্ট্রোল লাইফবয় ওয়াটার ড্রোন ব্যবহার করা হল। নদী ও সমুদ্রের স্রোত, কুয়াশা কিংবা ভিড়ের মধ্যেও দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর লক্ষ্যে এই আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগানো হচ্ছে বলে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।

এই জল ড্রোনটির কার্যক্ষমতার পরিসীমা এক কিলোমিটার। প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ সাত মিটার গতিতে ছুটতে সক্ষম হওয়ায় বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির কাছে এটি মানুষের তুলনায় অনেক দ্রুত পৌঁছতে পারে। বিশেষ ‘অটো-রাইটিং’ প্রযুক্তির ফলে উল্টে গেলেও মাত্র দু’সেকেন্ডে নিজে থেকেই সোজা হয়ে যায় ড্রোনটি, যা উত্তাল এবং বিপুল জলরাশিতেও উদ্ধারকাজ চালু রাখতে যথেষ্ট সাহায্য করবে।

ড্রোনটিতে থাকা অনবোর্ড ক্যামেরা থেকে ১০৮০পি এইচডি মানের লাইভ ভিডিও সরাসরি রিমোট কন্ট্রোলারের স্ক্রিনে দেখা যায়। ফলে উদ্ধারকারীরা পরিস্থিতি বুঝে নির্ভুলভাবে দিকনির্দেশ করে দিতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, প্রায় এক টন পর্যন্ত ওজন টানার ক্ষমতা থাকায় একাধিক মানুষ বা লাইফ রাফ্ট একসঙ্গে উদ্ধার করা সম্ভব।

জিপিএস-নির্ভর অটো-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে সিগন্যাল বিচ্ছিন্ন হলে বা ব্যাটারি কমে গেলে ড্রোনটি নিজে থেকেই নির্দিষ্ট স্থানে ফিরে আসবে। উচ্চ-ঘনত্বের আঘাত-প্রতিরোধী পলিমার দিয়ে তৈরি হওয়ায় এবং আবদ্ধ প্রপেলার থাকায় বিপন্ন ব্যক্তিদের জন্য এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। প্রশাসনের আশা, এই প্রযুক্তি সাগর মেলায় জলপথে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় নতুন দিশা দেখাবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande