মুখ্যমন্ত্রী ও ‘আইপ্যাক’-কে বিঁধলেন মহম্মদ সেলিম
কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি.স.) : কলকাতায় ‘আইপ্যাক’-এর দফতর ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি এবং সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি ঘিরে তীব্র আক্রমণ শানাল সিপিআইএম। কটাক্ষ করেন ‘আইপ্যাক’-কেও। বৃহস্পতিবার রাজ্য দফত
মুখ্যমন্ত্রী ও ‘আইপ্যাক’-কে বিঁধলেন মহম্মদ সেলিম


কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি.স.) : কলকাতায় ‘আইপ্যাক’-এর দফতর ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি এবং সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি ঘিরে তীব্র আক্রমণ শানাল সিপিআইএম। কটাক্ষ করেন ‘আইপ্যাক’-কেও।

বৃহস্পতিবার রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম প্রশ্ন তোলেন, “একটি বেসরকারি সংস্থায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশি হলে তাতে তৃণমূল কেন পথে নামছে?” তাঁর কটাক্ষ, স্কুল বন্ধ বা কৃষক ফসলের ন্যায্য দাম না পেলে তৃণমূল পথে নামে না, পরিযায়ী শ্রমিকেরা আক্রান্ত হলেও দলের কোনও সাংসদ সেখানে যান না। অথচ একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে হানা দিতেই বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়।

তাঁর দাবি, গোটা বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সিপিআইএম নেতা। তাঁর অভিযোগ, সরকারি কাজে বাধা দিয়ে বেআইনি কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে কলকাতা পুলিশ কমিশনার, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিপির ভূমিকা নিয়েও সরব হন তিনি।

সেলিমের দাবি, তল্লাশির সময়ে সাধারণত সংশ্লিষ্ট জায়গা ঘিরে রাখা হয় এবং বাইরের কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। তা হলে কেন শীর্ষ পুলিশকর্তারা ঘটনাস্থলে গেলেন— সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিযোগ করেন, পর্যাপ্ত বাহিনী থাকলে মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ তল্লাশির জায়গায় ঢুকতে পারতেন না।

তাঁর দাবি, যে গাড়িতে নথি তোলা হয়েছে, সেটি তৃণমূলের নামে নথিভুক্ত। সরকারি এজেন্সির তল্লাশির সময় নথি দলের গাড়িতে তোলা আইনত অপরাধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আদৌ কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সেলিম।

ইডি সূত্রে এই তল্লাশি কয়লা পাচার কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে জানানো হয়েছে উল্লেখ করে সেলিম বলেন, আই-প্যাক তো একটি ভোট কৌশল সংস্থা— সেখানে কালো টাকা এল কী করে, সেটাই তদন্তের মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, কয়লা ও গোরু পাচারের টাকা এই সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন দুর্নীতির অর্থ এখানেই ঘোরাফেরা করছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande