কাঁকসায় ১২৪টি দুর্গাপূজা কমিটির হাতে সরকারি অনুদান হস্তান্তর, যোগ দিল ৫১টি নতুন পুজো
দুর্গাপুর, ১২ অক্টোবর (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের আওতায় কাঁকসা ব্লকের মোট ১২৪টি দুর্গাপূজা কমিটির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হলো। সোমবার বিকেলে পানাগড় টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ অফ পাবলিক স্কুলের মিল
কাঁকসায় ১২৪টি দুর্গাপূজা কমিটির হাতে সরকারি অনুদান হস্তান্তর, যোগ দিল ৫১টি নতুন পুজো


দুর্গাপুর, ১২ অক্টোবর (হি.স.) :

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের আওতায় কাঁকসা ব্লকের মোট ১২৪টি দুর্গাপূজা কমিটির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হলো। সোমবার বিকেলে পানাগড় টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ অফ পাবলিক স্কুলের মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ প্রশাসনিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করা হয়।

কাঁকসা থানা সূত্রের খবর, পূর্বে কাঁকসা ব্লকে মাত্র ৭৩টি পূজা কমিটি রাজ্য সরকারের এই বিশেষ সহায়তা পেত। রাজ্যে নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের পর কাঁকসা ব্লকে নতুন করে আরও ৫১টি দুর্গাপূজা কমিটিকে এই সরকারি সহায়তার আওতায় যুক্ত করা হয়েছে। ফলে চলতি বছর সব মিলিয়ে কাঁকসা ব্লকের ১২৪টি নিবন্ধিত পুজো কমিটি এই অনুদান লাভ করল। এদিনের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ব্লকের প্রায় প্রতিটি পূজা কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তারাই উপস্থিত ছিলেন। রাজ্য সরকারের পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছর প্রতিটি পুজো কমিটিকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদানের আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়েছে।

এদিনের এই বিশেষ সাহায্য প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গলসীর বিধায়ক রাজু পাত্র, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, কাঁকসার ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (BDO) সৌরভ গুপ্তা, কাঁকসা সার্কেলের এসিপি মহঃ আলি রাজা, কাঁকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (IC) সন্দীপ দাসসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি ও পুলিশ আধিকারিকেরা।

উল্লেখ্য, রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবছর রাজ্যজুড়ে নতুন করে প্রায় ১২,৪০০টি দুর্গাপূজাকে প্রশাসনিক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বিগত বছরে যেখানে রাজ্যজুড়ে প্রায় ৪৫,০০০টি দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেখানে এবার মোট পুজোর সংখ্যা একলাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৭,৪০০টিতে।

অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে আলোকপাত করে দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে, উৎসবে সাধারণ মানুষ ও পুজো উদ্যোক্তাদের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সুবিধার কথা মাথায় রেখে একটি বিশেষ নতুন মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। পুজো চলাকালীন যেকোনো সমস্যা বা বিপদে পড়লে নাগরিকেরা সরাসরি সেই অ্যাপের মাধ্যমে প্রশাসনকে অবহিত করতে পারবেন। অন্যদিকে, গলসীর বিধায়ক রাজু পাত্র ঘোষণা করেন যে, মণ্ডপ ও আশেপাশের পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা এবং সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখার নিরিখে গলসী বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি সেরা পুজো কমিটিকে বিশেষ প্রশাসনিক পুরষ্কারে ভূষিত করা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande