১৭ অক্টোবর থেকে শিলচর-হাফলং সড়কে ফের চালু যাত্রিবাহী বাস পরিষেবা জেলা কমিশনারের অনুমতি, সকাল ৬টা থেকে চলাচল শুরু; পাহাড়ি পথে গতি নিয়ন্ত্রণ-সহ একাধিক নিরাপত্তাবিধি বাধ্যতামূলক
হাফলং (অসম), ১৫ অক্টোবর (হি স): যাত্রীদের জন্য স্বস্তির খবর। আগামী ১৭ অক্টোবর, শনিবার সকাল ৬টা থেকে জাতীয় সড়ক ২৭ (এনএইচ-২৭)-এর শিলচর-হাফলং অংশে ফের যাত্রিবাহী বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিমা হাসাওয়ের জেলা কমিশনারের জারি করা এক
১৭ অক্টোবর থেকে শিলচর-হাফলং সড়কে ফের চালু যাত্রিবাহী বাস পরিষেবা জেলা কমিশনারের অনুমতি, সকাল ৬টা থেকে চলাচল শুরু; পাহাড়ি পথে গতি নিয়ন্ত্রণ-সহ একাধিক নিরাপত্তাবিধি বাধ্যতামূলক


হাফলং (অসম), ১৫ অক্টোবর (হি স): যাত্রীদের জন্য স্বস্তির খবর। আগামী ১৭ অক্টোবর, শনিবার সকাল ৬টা থেকে জাতীয় সড়ক ২৭ (এনএইচ-২৭)-এর শিলচর-হাফলং অংশে ফের যাত্রিবাহী বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিমা হাসাওয়ের জেলা কমিশনারের জারি করা এক নির্দেশে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জনসাধারণের যাতায়াতের সুবিধা এবং শিলচর ও হাফলঙের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ১৪ অক্টোবর শিলচরের ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এনএইচএআই)-এর প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন ইউনিটের (পিআইইউ) প্রকল্প অধিকর্তা অনাপত্তিপত্র (এনওসি) জারি করেন। তার ভিত্তিতেই জেলা কমিশনারের কার্যালয়ের উন্নয়ন শাখা থেকে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

প্রশাসনিক নির্দেশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সড়কপথে বাস চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্ত বিধিবদ্ধ নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশাবলি কঠোর ভাবে অনুসরণ করতে হবে। পাহাড়ি পথে নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা বাধ্যতামূলক। সেতু এবং যেখানে রাস্তার কাজ চলছে, সেই সব এলাকায় আরও কম গতিতে বাস চালাতে হবে। রাস্তার নির্দেশিকা এবং কাজের জায়গায় নিযুক্ত কর্মীদের (ফ্ল্যাগম্যান) নির্দেশও মানতে হবে। কোনও বাসে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা যাবে না।

বাসমালিক ও পরিচালকদের নিশ্চিত করতে হবে, প্রতিটি গাড়ির বৈধ রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও বিমার শংসাপত্র, দূষণ নিয়ন্ত্রণ শংসাপত্র (পিইউসি) এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র রয়েছে। চালকদের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে এবং ট্রাফিক আইন ও সড়ক নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে।

নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, বাসগুলি কেবল অনুমোদিত রুটেই চলাচল করতে পারবে। নির্ধারিত আসনসংখ্যার বেশি যাত্রী তোলা যাবে না। যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা কিংবা অন্য পথচারী ও গাড়িচালকদের অসুবিধায় ফেলা চলবে না। জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং পরিবহণ দফতরের জারি করা নির্দেশাবলিও কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে।

নির্ধারিত বিধিনিষেধ কার্যকর করার জন্য ডিমা হাসাও জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ এবং জেলা পরিবহণ আধিকারিককে (ডিটিও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শর্ত লঙ্ঘন করা হলে বাস চলাচলের অনুমতি স্থগিত করা বা বাতিল করার মতো পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও প্রশাসনের তরফে সতর্ক করা হয়েছে।

শিলচর-হাফলং রুটে যাত্রিবাহী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হলে বরাক উপত্যকা ও ডিমা হাসাওয়ের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষত, এই পথে নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande