আরামবাগের মায়াপুরে দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান, উপস্থিত দুই বিধায়ক বিমান ঘোষ ও হেমন্ত বাগ
আরামবাগ , ১৬অক্টোবর (হি.স.): শারদোৎসবের আবহে শুক্রবার আরামবাগের মায়াপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সার্বজনীন দুর্গোৎসবের দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ এবং আরামবাগের বিধা
আরামবাগের মায়াপুরে দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান, উপস্থিত দুই বিধায়ক বিমান ঘোষ ও হেমন্ত বাগ


আরামবাগ , ১৬অক্টোবর (হি.স.): শারদোৎসবের আবহে শুক্রবার আরামবাগের মায়াপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সার্বজনীন দুর্গোৎসবের দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ এবং আরামবাগের বিধায়ক হেমন্ত বাগ। দুই বিধায়কের উপস্থিতিতে চক্ষুদান অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যায়।

জানা গিয়েছে, মায়াপুরের এই সার্বজনীন দুর্গাপুজো এ বছর চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করল। এবারের পুজোর মূল ভাবনা ‘অকালবোধন’। বাঙালির শারদোৎসবের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এই থিমকে কেন্দ্র করে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।

দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান অনুষ্ঠান দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। সেই বিশেষ পর্বে দুই বিধায়কের উপস্থিতি পুজো কমিটির সদস্যদের উৎসাহিত করে। অনুষ্ঠানে দুর্গাপুজো ও উৎসবের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বিমান ঘোষ ও হেমন্ত বাগ। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে পুজোকে কেন্দ্র করে মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ।

চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করা এই পুজোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই মায়াপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে। চক্ষুদান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শারদোৎসবের আনন্দে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল পুজোর আয়োজন। এবার ‘অকালবোধন’ থিমের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের কাছে কী বার্তা তুলে ধরা হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন পুজো উদ্যোক্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande