মুম্বইতে ১৩ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি গ্রেফতার, জাল আধার ও প্যান কার্ড চক্রের পর্দাফাঁস
মুম্বই, ২ অক্টোবর (হি.স.) : মুম্বই পুলিশের খার এবং জুহু থানার পৃথক যৌথ অভিযানে মোট ১৩ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবরের মধ্যে মুম্বই এবং নালাসোপারার বিভিন্ন এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। পু
মুম্বইতে ১৩ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি গ্রেফতার, জাল আধার ও প্যান কার্ড চক্রের পর্দাফাঁস


মুম্বই, ২ অক্টোবর (হি.স.) : মুম্বই পুলিশের খার এবং জুহু থানার পৃথক যৌথ অভিযানে মোট ১৩ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবরের মধ্যে মুম্বই এবং নালাসোপারার বিভিন্ন এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক শুক্রবার জানিয়েছেন, খার পুলিশ গত ২৯ সেপ্টেম্বর ৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করে। তদন্তে তাঁদের কাছে ভারতে বসবাসের কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ৩৫ বছর বয়সী ইকবাল শেখের বিরুদ্ধে পুলিশ সন্দেহ করছে যে, সে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারতে যাতায়াত, বসবাস এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার পাশাপাশি জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দেওয়ার মূল কারিগর ছিল। পুলিশের দাবি, শেখের মোবাইল ফোন থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে তৈরি প্রায় ৪০টি আধার ও প্যান কার্ডের ছবি, কিউআর কোড এবং ডিজিটাল ট্রেনের টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি তার ঘর থেকে প্রায় ২০টি আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে, যেগুলির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তার কাছ থেকে একটি বাংলাদেশি 'বাংলালিঙ্ক' সিম কার্ডও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। খার পুলিশ ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫-এর ২৪ ধারায় মামলা রুজু করেছে।

দ্বিতীয় অভিযানে জুহু পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম সেল গত ১ অক্টোবর ভোরে নালাসোপাড়া পূর্বের মোরেগাঁও এলাকার একটি বস্তিতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে এক পুরুষ, চার জন মহিলা এবং দুটি শিশুসহ মোট সাত জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাপদে তাঁরা নিজেদের বাংলাদেশের নড়াইল ও খুলনা জেলার বাসিন্দা বলে স্বীকার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনো বৈধ নথিপত্র বা সরকারি অনুমতি ছাড়াই তাঁরা ভারতে প্রবেশ করার কথা মেনে নিয়েছে। জুহু পুলিশ তাঁদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য এফআরআরও এবং ডিসিপি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ-১-এর কাছে হস্তান্তর করেছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি প্রয়োজনীয় তথ্যাদি যাচাইয়ের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande