টাকির ইছামতি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, প্রস্তুতি খতিয়ে দেখল প্রশাসন
টাকি, ২০ অক্টোবর (হি.স.): রাত পোহালেই বিজয়া দশমী। আর বিজয়া দশমী মানেই উত্তর ২৪ পরগনার টাকির ইছামতি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন। ভারত ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী এই নদীতে বিসর্জন দেখতে প্রতি বছরই দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়।
পর্যবেক্ষণ


টাকি, ২০ অক্টোবর (হি.স.): রাত পোহালেই বিজয়া দশমী। আর বিজয়া দশমী মানেই উত্তর ২৪ পরগনার টাকির ইছামতি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন। ভারত ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী এই নদীতে বিসর্জন দেখতে প্রতি বছরই দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়। নদীর একদিকে বাংলাদেশ, অন্যদিকে ভারতের টাকি। দুই দেশের সীমান্তবর্তী এই নদীতে বিসর্জনের দৃশ্য দেখতে প্রতিবছরই মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।

বিসর্জনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকাল থেকেই টাকিতে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা। বসিরহাট পুলিশ জেলার আধিকারিক, বিএসএফের আধিকারিক, সরকারি প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং টাকি পুরসভার আধিকারিকরা ইছামতি নদীর তীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন। বিসর্জনের দিন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়।

প্রশাসন সূত্রে খবর, গত বছরের তুলনায় এ বছর নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। নদীর ধারে কংক্রিটের রেলিং থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে বাঁশ দিয়ে পৃথক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি, মাইকে প্রচার চালিয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande