গরিব মানুষের দোরগোড়ায় প্রকল্প পৌঁছে দিতে নির্দেশ মন্ত্রী সুধাংশু দাসের
আগরতলা, ২৪ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : আগরতলায় অতিথিশালায় মঙ্গলবার প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন, মৎস্য এবং তপশিলি জাতি কল্যাণ দফতরের পশ্চিম জেলা স্তরের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন তপশিলি জাতি কল্যাণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী সুধা
পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত


আগরতলা, ২৪ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : আগরতলায় অতিথিশালায় মঙ্গলবার প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন, মৎস্য এবং তপশিলি জাতি কল্যাণ দফতরের পশ্চিম জেলা স্তরের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন তপশিলি জাতি কল্যাণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মিনা রানী সরকার ও অন্তরা সরকার দেব, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, বিভিন্ন ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান, নগর পঞ্চায়েত ও পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা।

সভায় তিনটি দফতরের চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়ণে সমস্যা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং সাধারণ মানুষের কাছে পরিষেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, গরিব ও প্রান্তিক মানুষের কাছে দফতরগুলির প্রকল্পের সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পশু চিকিৎসা কেন্দ্রগুলির পরিষেবা আরও শক্তিশালী করা এবং প্রাণীপালকদের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় এনে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি দফতরগুলির মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেন তিনি।

পর্যালোচনায় মৎস্য দফতরের অগ্রগতির তথ্য তুলে ধরা হয়। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় বর্তমানে ২১,২৪৮ জন ফিশ ফার্মার ও ৩,০৫৫ জন মৎস্যচাষি সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। জেলার ২,৭০৪.১২ একর জলাশয়ে মাছচাষ হচ্ছে এবং মোট উৎপাদন হয়েছে ৭,৮৩০.৯৬ মেট্রিক টন। স্থানীয় উৎপাদিত মাছের বাজারজাতকরণ সহজ করতে বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা, ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ সহায়তা, উন্নতমানের পোনা সরবরাহ এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande