
শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা, শিক্ষামন্ত্রী ডা. রণোজ পেগু সহ বহুজন
গুয়াহাটি, ১০ মাৰ্চ (হি.স.) : চলে গেলেন অসমের প্রবীণ জনজাতি নেতা, পাঁচবারের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্ৰীয় প্ৰতিমন্ত্ৰী বীরেনসিং ইংতি। আজ মঙ্গলবার সকাল ৭:৪৫ মিনিটে গুয়াহাটির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৯০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন কারবি জনগোষ্ঠীয় নেতা বীরেনসিং। কারবি আংলং জেলার প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক ব্যক্ত করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা, শিক্ষামন্ত্রী ডা. রণোজ পেগু সহ বহুজন। তাঁর প্রয়াণে অসমের পাহাড়ি জেলার আদিবাসী সমাজ এবং রাজ্যের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নিজের অফিশিয়াল এক্স-এ এক শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা লিখেছেন, ‘কারবি আংলং থেকে উঠে আসা বর্ষীয়ান নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বীরেন সিং ইংতির প্রয়াণে অসম এক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে হারাল। জনগণের সেবায় তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান এবং পাহাড়ি অঞ্চলের উন্নয়নে তাঁর প্রচেষ্টা সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই। ওঁ শান্তি।’
১৯৪৫ সালের ২ মার্চ কারবি আংলঙে জন্মগ্রহণ করেন বীরেনসিং ইংতি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাঁচবার অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট-এর ডিফু জনজাতি সংরক্ষিত (এসটি) আসন থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা বীরেনসিং।
কয়েক দশক ধরে তিনি জনসেবার প্রতি তাঁর নিষ্ঠা, বিশেষ করে অসমের পাহাড়ি জেলার আদিবাসী জনগণের রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য নিরলস প্রচেষ্টার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
প্রবীণ নেতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অসমের শিক্ষামন্ত্রী ডা. রণোজ পেগু। ডা. পেগু বলেছেন, ‘কারবি আংলঙের প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা বীরেনসিং ইংতির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি প্রাক্তন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে জনগণের সেবা, এবং বিশেষ করে অসমের পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও সমর্থকদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।’
রাজ্যের বিভিন্ন নেতা ও সহকর্মী ইংতির প্রজ্ঞা, নিষ্ঠা এবং রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের কথা স্মরণ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কল্যাণে নেওয়া বহু উদ্যোগে তাঁর দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস