বিদায়বেলায় আবেগঘন বার্তা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের, বঙ্গবাসীকে খোলা চিঠিতে জানালেন কৃতজ্ঞতা
কলকাতা, ১১ মার্চ (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস তাঁর কার্যকাল সমাপ্ত হওয়ার আগে বুধবার রাজ্যবাসীর উদ্দেশে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন। এই চিঠিতে তিনি বঙ্গবাসীর স্নেহ ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে,
রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস


কলকাতা, ১১ মার্চ (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস তাঁর কার্যকাল সমাপ্ত হওয়ার আগে বুধবার রাজ্যবাসীর উদ্দেশে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন। এই চিঠিতে তিনি বঙ্গবাসীর স্নেহ ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, আগামী দিনেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর আত্মিক যোগ অটুট থাকবে।

তিনি চিঠিতে লিখেছেন, কলকাতার 'লোক ভবন' (রাজভবন)-এ তাঁর কার্যকাল শেষ হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর যাত্রা এখনও সমাপ্ত হয়নি। এই রাজ্যকে নিজের ‘দ্বিতীয় ঘর’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান, ভবিষ্যতেও কোনও না কোনওভাবে তিনি বাংলার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।

রাজ্যপাল তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে, দায়িত্ব পালনকালে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত পরিভ্রমণ করার এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেশার সুযোগ পেয়েছেন। গ্রামগঞ্জ এবং শহরের মানুষের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন ও সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা তাঁকে বাংলার বৈচিত্র্যময় সমাজ এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে।

নিজের চিঠিতে তিনি মহাত্মা গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যেভাবে গান্ধীজি বাংলার সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের কথা বলতেন, তিনিও এই রাজ্যের আকর্ষণ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারছেন না। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকৃত সেবা ও ঈশ্বরের অনুভূতি সাধারণ মানুষ এবং শ্রমজীবী সমাজের জনজীবনের মধ্যেই নিহিত থাকে।

নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে গিয়ে বিদায়ী রাজ্যপাল জানান, শিশুদের উৎসাহী চোখ, বড়দের স্নেহ এবং সাধারণ মানুষের আন্তরিকতার মধ্যেই তিনি বাংলার আসল শক্তি প্রত্যক্ষ করেছেন।

পরিশেষে, রাজ্যের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ আগামী দিনে উন্নতির নতুন শিখরে পৌঁছাবে এবং এখানকার মানুষের জীবনে সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে। তিনি মা দুর্গার কাছে রাজ্যের জনগণের রক্ষার প্রার্থনাও জানান। নিজের বার্তার শেষে তিনি বন্দে মাতরম্ উচ্চারণ করে বিদায় সম্ভাষণ জানিয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande