ভিএইচপি-র সাংসদ সম্পর্ক অভিযান শুরু; ২৭ মার্চ পর্যন্ত উভয় কক্ষের সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে : বজরং বাগদা
নয়াদিল্লি, ১১ মার্চ (হি.স.): বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-এর তিন সপ্তাহব্যাপী সাংসদ সম্পর্ক অভিযান ২৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে। ভিএইচপি-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব বজরং লাল বাগদা বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, সোমবার (৯ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া বিশেষ সাংসদ সম্
সাংবাদিক সম্মেলন


নয়াদিল্লি, ১১ মার্চ (হি.স.): বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-এর তিন সপ্তাহব্যাপী সাংসদ সম্পর্ক অভিযান ২৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে। ভিএইচপি-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব বজরং লাল বাগদা বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, সোমবার (৯ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া বিশেষ সাংসদ সম্পর্ক অভিযানের আওতায় আমরা সংসদের উভয় কক্ষের সাংসদদের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

তিনি বলেন যে, সাংসদ সম্পর্ক অভিযান প্রতিবছরে শীতকালীন অধিবেশনে আমাদের বার্ষিক কর্মসূচির অংশ। কিন্তু, এই বছর ওই অধিবেশনের সময়কাল সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে, এটি বাজেট অধিবেশনের সময় আয়োজন করা হয়েছে। এই বছর আমরা দেশের আইন প্রণেতাদের কাছে কিছু নির্দিষ্ট বিষয় উপস্থাপন করব।

তিনি বলেন, জনসংখ্যার ভারসাম্যহীনতা নিয়ে একটি ব্যাপক জাতীয় আলোচনার প্রয়োজন। পূর্ববর্তী অনেক সরকারই তাদের নিজস্ব উপায়ে এই ইস্যুতে কাজ করেছে, কিন্তু এখন এর সূক্ষ্ম দিকগুলি সাবধানতার সাথে পরীক্ষা করে একটি কার্যকর জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণয়নের প্রয়োজন। এই কাজটি জনসাধারণের অংশগ্রহণের সাথে সাথে নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক ও সম্প্রদায়ভিত্তিক জনসংখ্যার ভারসাম্য নিশ্চিত করার মতো পদক্ষেপের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া উচিত। আমরা তাদের সামনে বিষয়টি উত্থাপন করে আলোচনা করব। ভারত ধার্মিক দেশ, তার আত্মা তীর্থস্থানগুলিতে নিবদ্ধ। তীর্থস্থানের উন্নয়ন ছাড়া ভারতের উন্নয়ন অসম্পূর্ণ। তীর্থযাত্রা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতএব, আমরা সকল সাংসদকে দেশের তীর্থস্থানগুলির যথাযথ উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করবো। যাতে তারা ভারতের অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং আত্মমর্যাদার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। আবারও ধর্ম, আধ্যাত্মিকতা এবং মানব কল্যাণের বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসাবে আবির্ভূত হয়। তৃতীয় বিষয় হিসাবে, আমরা সাংসদদের অনুরোধ করব যাতে সংবিধানের ২৯ এবং ৩০ অনুচ্ছেদের বিধানগুলি দেশের সকল নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয় তা নিশ্চিত করার জন্য। যাতে সকল ধর্মের মানুষ বৈষম্য ছাড়াই ধর্মীয় শিক্ষার সমান সাংবিধানিক অধিকার পায়। তারা সংখ্যালঘু শব্দটি সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেব।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জানান, এই অভিযান তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের কার্যকর্তারা রাজধানী দিল্লিতে তাদের নিজ নিজ এলাকার সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। প্রথম পর্যায় ৯ থেকে ১৩ মার্চ এবং দ্বিতীয় পর্যায় ১৬ থেকে ২০ মার্চ। এর পরে, শেষ ধাপ ২৩ থেকে ২৭ মার্চ সপ্তাহ শেষ হবে। আমরা দল, মতাদর্শ, অঞ্চল নির্বিশেষে সকল সাংসদের সঙ্গে দেখা করব এবং তাদের সামনে আমাদের মতামত খোলাখুলিভাবে উপস্থাপন করব। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অখিল ভারতীয় বিশেষ সম্পর্ক প্রমুখ অম্বরীশ সিং-ও সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এই বিষয়ে জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জাতীয় মুখপাত্র বিনোদ বনসল।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande