মহিলাদের উন্নয়নই জাতীয় উন্নয়নের চাবিকাঠি : রাজ্যপাল
আগরতলা, ১২ মার্চ (হি.স.) : মহিলাদের উন্নয়ন মানেই জাতীয় উন্নয়নের অঙ্গ এবং সমাজের সর্বক্ষেত্রে মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণই ভারতকে বিশ্বগুরুর পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে—এমনটাই মন্তব্য করলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু। বৃহস্পতিবার আ
কর্মশালায় রাজ্যপাল


আগরতলা, ১২ মার্চ (হি.স.) : মহিলাদের উন্নয়ন মানেই জাতীয় উন্নয়নের অঙ্গ এবং সমাজের সর্বক্ষেত্রে মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণই ভারতকে বিশ্বগুরুর পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে—এমনটাই মন্তব্য করলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু। বৃহস্পতিবার আগরতলায় মহারাজা বীর বিক্রম মহাবিদ্যালয়ে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধন করে তিনি এই কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার রাজ্যের অন্যতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মহারাজা বীর বিক্রম মহাবিদ্যালয়ে শুরু হয় দুই দিনের এই জাতীয় সেমিনার। সেমিনারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল “প্রেসিং উইমেন্স ইস্যুস- মেন্টাল বিয়িং এন্ড এমপাওয়ারমেন্ট দা ওয়ে ফরওয়ার্ড” অর্থাৎ নারীদের সমস্যাগুলি তুলে ধরা: মানসিক সুস্থতা এবং ক্ষমতায়ন - এগিয়ে যাওয়ার পথ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার উদ্বোধন করেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, ভারতীয় সংস্কৃতি ও পরম্পরায় প্রাচীনকাল থেকেই মহিলাদের বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বহু ক্ষেত্রেই দেবদেবীর নাম উচ্চারণে প্রথমে নারীর নাম ব্যবহারের ঐতিহ্য রয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি রাধাকৃষ্ণ, সীতারাম এবং পার্বতী-পরমেশ্বরের উদাহরণ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, ভারত বর্তমানে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই মহিলা। তাই মহিলাদের পিছনে ফেলে রেখে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। মহিলাদের শিক্ষা, ক্ষমতায়ন ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে দেশ আরও দ্রুত অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ মহারাজা বীর বিক্রম মহাবিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই জাতীয় কর্মশালা শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। এখানে মহিলা বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, মানসিক সুস্থতা এবং মহিলা ক্ষমতায়ন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande