আগরতলায় দু’দিনের ফিশ ফেস্টিভ্যাল শুরু আগামীকাল
আগরতলা, ১২ মার্চ (হি.স.) : মৎস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে এবং মৎস্য চাষীদের উৎসাহিত করতে শুক্রবার থেকে আগরতলায় শুরু হচ্ছে দু’দিনব্যাপী ''ফিশ ফেস্টিভ্যাল'। শিশু উদ্যানে আয়োজিত এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি না
সাংবাদিক সম্মেলন


আগরতলা, ১২ মার্চ (হি.স.) : মৎস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে এবং মৎস্য চাষীদের উৎসাহিত করতে শুক্রবার থেকে আগরতলায় শুরু হচ্ছে দু’দিনব্যাপী 'ফিশ ফেস্টিভ্যাল'। শিশু উদ্যানে আয়োজিত এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু। বৃহস্পতিবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান মৎস্য দফতরের সচিব দীপা ডি নায়ার।

মৎস্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাঙালিদের প্রধান খাদ্যের অন্যতম হল মাছ। ত্রিপুরাতেও প্রায় ৯৮ শতাংশ মানুষের খাদ্য তালিকায় মাছের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে প্রতি নাগরিকের বছরে প্রায় ২০ কেজি মাছের প্রয়োজন হয়। সেই হিসেবে রাজ্যে বছরে মোট মাছের চাহিদা প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে রাজ্যে মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৮৯ হাজার ২২৪ মেট্রিক টন।

এই ঘাটতি পূরণ করে রাজ্যকে মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে মৎস্য দফতর বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মৎস্য চাষীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই প্রতি বছর রাজ্যে 'ফিশ ফেস্টিভ্যাল'-এর আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার বিকেল ৫টায় শিশু উদ্যানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন রাজ্যপাল। দুই দিনব্যাপী এই উৎসবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মৎস্য চাষীরা তাঁদের নিজস্ব জলাশয়ে উৎপাদিত নানা ধরনের মাছ নিয়ে অংশ নেবেন। দর্শনার্থীদের জন্য শিশু উদ্যানে একাধিক স্টলও তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়াও প্রদর্শনীতে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানীয় প্রজাতির মাছের পাশাপাশি প্রায় ২০০০ কেজি ইলিশ ও পমফ্রেট মাছের প্রদর্শনী রাখা হবে বলে জানান মৎস্য দফতরের সচিব।

সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, রাজ্যে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা এবং মুখ্যমন্ত্রী মৎস্য সংকল্প যোজনাকে ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে মৎস্য চাষীদের বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় দুই লক্ষ মৎস্যজীবী রয়েছেন এবং গত পাঁচ বছরে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের প্রায় ১০০ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande