ডিএ-সহ একাধিক দাবিতে আরামবাগে সরকারি কর্মচারীদের ধর্না
আরামবাগ, ১৩ মার্চ (হি.স.) : বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান-সহ একাধিক দাবিতে হুগলির আরামবাগ মহকুমাজুড়ে সরকারি কর্মচারীদের ধর্না কর্মসূচি পালিত হল শুক্রবার। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ও অন্যান্য কর্মচারী সংগঠনের ডাকে সকাল ১০টা থেকে মহকুমার বিভিন্ন বিডিও অফি
হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমাজুড়ে সরকারি কর্মচারীদের ডাকা ধর্মঘট ও ধর্না কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল থেকেই তৈরি হয় আন্দোলনের আবহ


আরামবাগ, ১৩ মার্চ (হি.স.) : বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান-সহ একাধিক দাবিতে হুগলির আরামবাগ মহকুমাজুড়ে সরকারি কর্মচারীদের ধর্না কর্মসূচি পালিত হল শুক্রবার। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ও অন্যান্য কর্মচারী সংগঠনের ডাকে সকাল ১০টা থেকে মহকুমার বিভিন্ন বিডিও অফিসের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়।

আন্দোলনকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও দাবিসংবলিত পোস্টার নিয়ে ধর্নায় বসেন এবং বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। তাদের প্রধান দাবি, বকেয়া ডিএ দ্রুত মেটানো, বেতন কাঠামোর সংশোধন, বিভিন্ন সরকারি দফতরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদে নিয়োগ এবং কর্মচারীদের পরিষেবাগত সমস্যার সমাধান।

কর্মচারী সংগঠনগুলির নেতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তারা এই দাবিগুলি নিয়ে সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছেন এবং বিভিন্ন স্তরে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় বাধ্য হয়েই আন্দোলনের পথে নামতে হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিশেষ ক্ষোভ দেখা যায় বকেয়া ডিএ প্রসঙ্গে। তাদের দাবি, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা এখনও বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাননি। এদিকে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকায় কর্মচারীদের উপর আর্থিক চাপ বাড়ছে বলেও অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।

ধর্না কর্মসূচি মূলত শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর মেলেনি। তবে কর্মচারীদের একাংশ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় কিছু সরকারি দফতরের স্বাভাবিক কাজকর্ম আংশিকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন পরিষেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে কিছু ক্ষেত্রে অপেক্ষা করতে হয়।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকাল থেকেই নজরদারি চালানো হয় এবং বিডিও অফিস চত্বরে পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে আন্দোলন শান্তিপূর্ণ থাকায় কোথাও উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

কর্মচারী সংগঠনের নেতারা জানান, দাবিগুলি দ্রুত পূরণ না হলে আগামী দিনে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। প্রয়োজনে রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর কর্মসূচির পথেও হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande