সায়েন্স সিটিতে মঙ্গলাভিযানের রোমাঞ্চ, শুরু হলো নতুন থ্রি-ডি চলচ্চিত্র ‘ওয়ান স্টেপ বিয়ন্ড’-এর প্রদর্শনী
কলকাতা, ১৩ মার্চ (হি.স.): কলকাতার সায়েন্স সিটিতে (বিজ্ঞান নগরী) শুক্রবার থেকে শুরু হলো নতুন ফুলডোম থ্রি-ডি চলচ্চিত্র “ওয়ান স্টেপ বিয়ন্ড: এ জার্নি টু মার্স”-এর প্রদর্শনী। দর্শকদের পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে মানবজাতির পরবর্তী মহাকাশ গন্তব্য— রহস্যময় মঙ্গল
সায়েন্স সিটি'তে


কলকাতা, ১৩ মার্চ (হি.স.): কলকাতার সায়েন্স সিটিতে (বিজ্ঞান নগরী) শুক্রবার থেকে শুরু হলো নতুন ফুলডোম থ্রি-ডি চলচ্চিত্র “ওয়ান স্টেপ বিয়ন্ড: এ জার্নি টু মার্স”-এর প্রদর্শনী। দর্শকদের পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে মানবজাতির পরবর্তী মহাকাশ গন্তব্য— রহস্যময় মঙ্গল গ্রহের এক অসাধারণ যাত্রায় নিয়ে যাবে এই চলচ্চিত্রটি।

​ভারতের প্রথম থ্রি-ডি ফুলডোম ডিজিটাল থিয়েটার তথা কলকাতার সায়েন্স সিটিতে এদিন এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. গৌতম চট্টোপাধ্যায়। তিনি আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির নাসা জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির বর্ষীয়ান বিজ্ঞানী এবং ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে যুক্ত।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কাউন্সিল অব সায়েন্স মিউজিয়ামসের মহাপরিচালক এ. ডি. চৌধুরী, উপ-মহাপরিচালক কে. এস. মুরলি এবং সায়েন্স সিটি কলকাতার অধিকর্তা প্রমোদ গ্রোভারসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

​চলচ্চিত্রটি চাঁদে মানুষের প্রথম পদচিহ্নের ঐতিহাসিক মুহূর্ত থেকে শুরু করে ভবিষ্যতের দুঃসাহসিক মহাকাশ অভিযানের চিত্র তুলে ধরেছে। এতে রকেট উৎক্ষেপণের রোমাঞ্চকর দৃশ্য, মহাকাশে জীবনযাপনের চ্যালেঞ্জ এবং আধুনিক প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে নাসার ‘আর্টেমিস’ কর্মসূচির সাম্প্রতিক উন্নয়ন এবং পৃথিবীর বাইরে প্রাণের সন্ধানে বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিষয়টি এখানে গুরুত্ব পেয়েছে।

​উন্নত সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা এবং শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্যের মাধ্যমে এই চলচ্চিত্র দর্শকদের মহাবিশ্বে মানুষের অবস্থান এবং মঙ্গল গ্রহে পদার্পণের ঐতিহাসিক প্রস্তুতি সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করবে। সায়েন্স সিটির ফুলডোম থ্রি-ডি থিয়েটারে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট সাতবার এই ২৫ মিনিটের চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হবে। দর্শকরা তাঁদের পছন্দমতো বাংলা, হিন্দি অথবা ইংরেজি ভাষায় এটি দেখার সুযোগ পাবেন। শুক্রবার থেকেই সাধারণ দর্শকদের জন্য এই প্রদর্শনী উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande