

মৌসুমী সেনগুপ্ত
কলকাতা, ১৩ মার্চ, (হি.স.): শিল্প ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যের ধারা মাথায় রেখে বাংলার নিজস্ব খাদিকে মানুষের আরও কাছে নিয়ে যেতে চায় সরকার। এ ব্যাপারে কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের সহায়তা নেওয়া হবে। এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রাজ্যের বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও জৈব প্রযুক্তি বিভাগের সচিব বিজয় ভারতী।
বিষয়টি নিয়ে পর্যায়ক্রমে একগুচ্ছ পরিকল্পনা রূপায়ণ শুরু হয়েছে। রাজ্যের অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) দফতরের অধীন পশ্চিমবঙ্গ খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদ (ডব্লুবিকেভিআইভি) এ ব্যাপারে সহযোগিতা নিচ্ছে বিজ্ঞান প্রযুক্তি দফতরের। বিভিন্ন জেলায় নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রমের পর বৃহস্পতিবার কলকাতায় ‘ইন্টারঅ্যাক্টিভ ওয়ার্কশপ অন ইমপ্যাক্ট অফ রিসার্চ ওয়ার্কস ইন খাদি সেক্টর’ শিরোনামে একটি কর্মশালা হয়।
কর্মশালায় বিজয় ভারতীকে ডব্লুবিকেভিআইভি-র আধিকারিকরা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বীরভূম, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের ‘মসলিন তীর্থ’-র কিছু কার্যকলাপ দেখান। সিউরি, কৃষ্ণনগর ও বহরমপুরে সম্প্রতি ১০ দিনের শিবিরে ১০ জন করে গ্রামীণ শিল্পীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এরকমই প্রশিক্ষণ চলছে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে।
ওই কেন্দ্রগুলো ছাড়াও সম্প্রতি সৌরশক্তিতে তাঁতযন্ত্র চালনা থেকে যন্ত্রের মানোন্নয়ন, তাঁতের উন্নত মানের তন্তু তৈরি প্রভৃতির পরীক্ষানিরীক্ষার নানা কাজ হয়েছে পুরুলিয়ার মোহান্দি, মালদার ইংলিশবাজারে। দফতরের আধিকারিক দেবর্ষি রায় তাঁদের নানা পরিকল্পনার কথা জানান।
আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন ওই সব অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের উৎপাদক, প্রশিক্ষক প্রতিনিধিরা। তাঁরা তাঁদের কিছু অভিজ্ঞতার কথা সংক্ষেপে জানান। দফতরের সচিব বিজয় ভারতী বলেন, এই ক্ষেত্রের বিকাশের জন্য কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কিছু প্রকল্প আছে। কিভাবে সেগুলোর সহায়তা নেওয়া যায়, সেগুলো খতিয়ে দেখলে আরও সুফল পাওয়া যাবে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত