
শিমলা, ১৩ মার্চ (হি.স.): হিমাচল প্রদেশে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়। এমন তাই জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব সঞ্জয় গুপ্ত। সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং গ্যাস সরবরাহ নিয়ে জেলাগুলির কাছ থেকে নিয়মিত তথ্য নেওয়া হচ্ছে।
ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্টের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক স্তরে পেট্রোলিয়াম পণ্য ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বাণিজ্যে প্রভাব পড়ার খবর সামনে এসেছে। এর প্রভাব বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ভারতে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে হিমাচল প্রদেশে গ্যাসের প্রাপ্যতা নিয়ে আলোচনাও জোরদার হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মুখ্যসচিব বলেন, রাজ্য সরকার পরিস্থিতির উপর ধারাবাহিক নজরদারি চালাচ্ছে। সব জেলার ডেপুটি কমিশনার, খাদ্য ও নাগরিক সরবরাহ দফতর এবং তেল সংস্থাগুলিকে নিজ নিজ এলাকায় গ্যাস সরবরাহের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এলপিজি সরবরাহের বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র সরকারও সম্পূর্ণভাবে সতর্ক রয়েছে এবং পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব দেশের সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন, যেখানে গ্যাসসহ জরুরি পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মুখ্যসচিব স্পষ্ট করে বলেন, এলপিজি সরবরাহের মূল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র সরকারের অধীনে পড়ে। কেন্দ্র ইতিমধ্যে গৃহস্থালি ব্যবহারের এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ কোনও সমস্যায় না পড়েন। তিনি আরও জানান, রাজ্য সরকারের কাছে কিছু কমার্শিয়াল এলপিজি সিলিন্ডারের মজুত রয়েছে। সেগুলি হোটেল ও খাদ্যশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বাণিজ্যিক কার্যকলাপও প্রভাবিত না হয়।
হিমাচল প্রদেশের রাজ্যের মুখ্যসচিব সঞ্জয় গুপ্ত সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কোথাও কোনও সমস্যা দেখা দিলে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য