
কলকাতা, ১৭ মার্চ, (হি.স.): পার্থ চট্টোপাধ্যায় দীর্ঘকাল ছিলেন তৃণমূলের মহাসচিব। বিধানসভার আগামী ভোটে দলের বিধানসভার টিকিটও পেলেন না। এবার তিনি কোন পথ ধরেন, কেবল রাজনৈতিক মহল নয়, তা জানতে কৌতূহলি আমজনতার একটা বড় অংশ।
দীর্ঘকালের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী পার্থবাবু শিক্ষা-কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হয়ে গ্রেফতার হন। এর ঠিক পরেই তাঁকে সরকার ও দলের বিভিন্ন পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রাপ্ত নানা দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসে। অর্পিতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক হয়ে ওঠে আলোচনার মুখরোচক খবর। কারামুক্তির পরে হারানো জমি ফিরে পেতে এলাকায় জনসংযোগে বার হন। নানাভাবে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু দলের প্রার্থীর দায়িত্ব পেলেন না।
গত ১৫ বছর ধরে রাজ্যের ক্ষমতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। দল বলছে, আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। যতবার ক্ষমতায় আসবে, তত বেশি কাজ করবে শাসকদল। যেমন সরকারি স্তরে, তেমনই দলের অন্দরেও। মানুষের জন্য কাজ ছাড়া কথা নেই এই দলে।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় কি দলের এই অলিখিত ভাবনা মেনে নিয়ে রাজনীতিতে ব্রাত্য হয়ে যাবেন? ভবিষ্যতই দেবে তার উত্তর।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত