সপ্তগ্রামে ত্রিমুখী লড়াইয়ের উত্তাপ : তৃণমূলের ফুটবলার কার্ড বনাম বিজেপির আগাম প্রচার
কলকাতা, ১৯ মার্চ (হি. স.): হুগলি জেলার ১৮টি বিধানসভা আসনের মধ্যে সপ্তগ্রাম কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চড়ছে। ১৯০ নম্বর এই আসনে এবার মূলত ত্রিমুখী লড়াইয়ের সংকেত মিলছে। নির্বাচনের রণকৌশলে প্রার্থীর নাম আগেভাগে ঘোষণা করে প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে গ
সপ্তগ্রাম বিধানসভায় দেওয়াল লিখন চলছে


কলকাতা, ১৯ মার্চ (হি. স.): হুগলি জেলার ১৮টি বিধানসভা আসনের মধ্যে সপ্তগ্রাম কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চড়ছে। ১৯০ নম্বর এই আসনে এবার মূলত ত্রিমুখী লড়াইয়ের সংকেত মিলছে। নির্বাচনের রণকৌশলে প্রার্থীর নাম আগেভাগে ঘোষণা করে প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের প্রার্থী স্বরাজ ঘোষ ইতিমধ্যেই এলাকায় সংগঠন মজবুত করার কাজে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। পাল্টা হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস ময়দানে নামিয়েছে প্রাক্তন তারকা ফুটবলার বিদেশ বসুকে। অন্যদিকে, বাম ফ্রন্টের হয়ে লড়াইয়ে রয়েছেন অনির্বাণ সরকার।

একদা বাঁশবেড়িয়া নামে পরিচিত এই কেন্দ্রটি দীর্ঘকাল সিপিএমের শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। ২০১১ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঝড়ে সেই গড় ভেঙে প্রথমবার তৃণমূলের দখলে যায় এই আসনটি। গত নির্বাচনেও প্রায় ১০,৫০০ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছিল শাসকদল। তবে এবারের রাজনৈতিক সমীকরণ কিছুটা ভিন্ন। তৃণমূল এবার তাদের প্রার্থী বদল করেছে, যা নিয়ে দলের অন্দরে গোষ্ঠী কোন্দলও প্রকাশ্যে এসেছে। একাধিক দাবিদারের ভিড়ে শেষ পর্যন্ত ভারসাম্য বজায় রেখেই বিদেশ বসুর ওপর ভরসা রেখেছে জোড়াফুল শিবির।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশ বসুর ফুটবল জীবনের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ভোটব্যাঙ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বিজেপির সুসংগঠিত প্রচার এবং বামেদের ভোট পুনরুদ্ধারের চেষ্টা লড়াইকে বেশ কঠিন করে তুলেছে। সব মিলিয়ে সপ্তগ্রামে এবার যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande