কালীগঞ্জে সিপিআই(এম) দফতরে ভাঙচুর, শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত সাত সদস্য
নদিয়া, ২০ মার্চ (হি. স.): নদিয়া জেলার কালীগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিল সিপিআই(এম)। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাতজন সদস্যকে তৎক্ষণাৎ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার জেলা সম্পাদক মেঘলাল শেখ এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানা
কালীগঞ্জে সিপিআই(এম) দফতরে ভাঙচুর, শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত সাত সদস্য


নদিয়া, ২০ মার্চ (হি. স.): নদিয়া জেলার কালীগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিল সিপিআই(এম)। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাতজন সদস্যকে তৎক্ষণাৎ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার জেলা সম্পাদক মেঘলাল শেখ এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত সদস্যরা হলেন সাইদুল শেখ, সেন্টু শেখ, জহিরুদ্দিন আহমেদ, অজয় সরকার, মোদাসসের মীর, এম. রহমান এবং হানিফ মহম্মদ। অভিযোগ, প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই এই সদস্যরা দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। মাত্র তিন দিনের মধ্যে এই কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে দল বিক্ষুব্ধ কর্মীদের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু ১৯২টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। সেই তালিকায় কালীগঞ্জ কেন্দ্র থেকে সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রার্থী করা হয়, যিনি গত বছর রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত শিশু তামান্না খাতুনের মা। এই মনোনয়ন ঘিরেই স্থানীয় স্তরে দলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত হাতাহাতি ও ভাঙচুরের রূপ নেয়।

প্রসঙ্গত, গত বছর কালীগঞ্জ উপনির্বাচনের সময় বোমা হামলায় ৯ বছর বয়সী তামান্না খাতুনের মৃত্যু হয়েছিল। তামান্নার পরিবার বাম সমর্থক হিসেবে পরিচিত। সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রার্থী করার বিষয়টিকে ‘আবেগ নিয়ে রাজনীতি’ বলে কটাক্ষ করেছে বিরোধী দলগুলি। তবে সিপিআই(এম) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কোনও অবস্থাতেই শৃঙ্খলাভঙ্গ বরদাস্ত করা হবে না।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande