রাজ্যসভায় বর্ধিত কর্মদক্ষতা সংলাপের মনোভাবের প্রতিফলন, উপরাষ্ট্রপতি
নাগপুর, ২১ মার্চ (হি.স.): উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন শনিবার মহারাষ্ট্রের নাগপুরে মহর্ষি ব্যাস সভাগৃহে ভারতীয় যুব সংসদের ২৯-তম জাতীয় অধিবেশনে ভাষণ দেন। এই অনুষ্ঠানে নাগপুরের তাৎপর্য উল্লেখ করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯২৫ সালে ডঃ কেশব বলীরাম হেডগেওয
উপরাষ্ট্রপতি


নাগপুর, ২১ মার্চ (হি.স.): উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন শনিবার মহারাষ্ট্রের নাগপুরে মহর্ষি ব্যাস সভাগৃহে ভারতীয় যুব সংসদের ২৯-তম জাতীয় অধিবেশনে ভাষণ দেন। এই অনুষ্ঠানে নাগপুরের তাৎপর্য উল্লেখ করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯২৫ সালে ডঃ কেশব বলীরাম হেডগেওয়ার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রতিষ্ঠা স্থান হিসেবে এই শহরটি জাতীয় চেতনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। তিনি বলেন, একটি ছোট উদ্যোগ থেকে জাতীয় সেবায় নিবেদিত একটি বৃহৎ আন্দোলনে পরিণত হওয়া এই সংগঠনের যাত্রা “রাষ্ট্র প্রথম” এর চেতনা এবং জাতির প্রতি উৎসর্গকে প্রতিফলিত করে।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় যুব সংসদ ন্যাশনাল ট্রাস্টের কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই সংগঠনটি বিভিন্ন অঞ্চলের যুবকদের সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যার ফলে ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ এর চেতনা আরও শক্তিশালী হয়েছে। “ভারতীয় ভাষা ও উন্নত ভারত–২০৪৭” শীর্ষক মূল বক্তব্যে উপরাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন, ভারতের ভাষাগত বৈচিত্র্য এক বিরাট শক্তি এবং যখন আমরা আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলি, তখন আমরা “আঞ্চলিক” নই, বরং “মৌলিক” হয়ে উঠি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিটি ভাষার নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে এবং সম্মিলিতভাবে তারা জাতির সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি গড়ে তোলে। তিনি ভারতের সংবিধানকে একাধিক ভারতীয় ভাষায় উপলব্ধ করার সাম্প্রতিক প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন এবং বলেন যে, জাতীয় উন্নয়নের জন্য ভাষাগত বৈচিত্র্যের প্রচার ও সংরক্ষণ অপরিহার্য।

গণতান্ত্রিক সমাজে সংলাপের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে উপরাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং রাজ্যসভার অধিবেশনগুলোর বর্ধিত ফলপ্রসূতার কথা স্মরণ করে বলেন, মতপার্থক্যকে সংঘাতের পরিবর্তে গঠনমূলক সংলাপ ও সমাধানের দিকে নিয়ে যাওয়া উচিত।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande