ধর্মনগর উপ-নির্বাচন : বিজেপি-এর শক্তি প্রদর্শন, মনোনয়ন জমা প্রার্থী জহর চক্রবর্তীর
ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ২৩ মার্চ (হি.স.) : ৫৬-ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ তুঙ্গে উঠছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই শাসক-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লড়াই তীব্র আকার নিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার
বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল


ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ২৩ মার্চ (হি.স.) : ৫৬-ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ তুঙ্গে উঠছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই শাসক-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লড়াই তীব্র আকার নিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার ধর্মনগর শহরে শক্তি প্রদর্শনে নামে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

এদিন সকালে শহরের পদ্মপুরস্থিত বিজেপির জেলা কার্যালয় থেকে একটি রেলির সূচনা হয়। ঢাক-ঢোল, ব্যানার, পতাকা এবং দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা শহর। রেলিতে অংশগ্রহণ করেন বিজেপি-এর প্রদেশ সভাপতি তথা সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব, কর্মী ও সমর্থকরা।

রেলি পদ্মপুর থেকে শুরু হয়ে ধর্মনগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিক্রমা করে। শহরের প্রধান সড়কগুলিতে দলীয় কর্মীদের জোরালো উপস্থিতি কার্যত নির্বাচনী আবহকে আরও উষ্ণ করে তোলে। শেষপর্যন্ত রেলিটি ধর্মনগর মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে গিয়ে সমবেত হয়।

সেখানে রিটার্নিং অফিসারের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিজেপি প্রার্থী জহর চক্রবর্তী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেন, উন্নয়নমূলক কাজ, সাংগঠনিক শক্তি এবং জনসমর্থনের জোরে এই কেন্দ্রেও বিজেপি-এর জয় নিশ্চিত।

মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর বিজেপি নেতৃত্ব বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে। তাঁদের বক্তব্য, “মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর রাজনীতির দিন শেষ। মানুষ এখন উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পক্ষে রায় দেবে।” তাঁরা আরও দাবি করেন, এই উপ-নির্বাচন শুধুমাত্র একটি আসন দখলের লড়াই নয়, বরং এটি জনসমর্থনের এক বড় পরীক্ষা।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৩ মার্চ, ২৪ মার্চ হবে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন। ভোট গণনা হবে ৪ মে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ধর্মনগর কেন্দ্রে মোট ৪৬,১৪৩ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে ২৩,৭৬৩ জন মহিলা এবং ২২,৩৮০ জন পুরুষ ভোটার। নির্বাচন পরিচালনার জন্য মোট ৫৫টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে—এর মধ্যে ৩২টি শহরাঞ্চলে এবং ২৩টি গ্রামাঞ্চলে। এছাড়া ১২ জন সেক্টর সিভিল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে চারজনকে রিজার্ভ রাখা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande