
কৈলাসহর (ত্রিপুরা), ২৭ মার্চ (হি.স.) : ঊনকোটি জেলার কৈলাসহর শহরে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। শুক্রবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ আরজিএম হাসপাতাল সংলগ্ন বাঁধের পাড় এলাকায় গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ি থেকে ৩৫ কৌটা ব্রাউন সুগার উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হলেও মূল অভিযুক্ত মিঠু চৌধুরী পলাতক রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগ ছিল। গোপন খবরের ভিত্তিতে বিশাল পুলিশবাহিনী নিয়ে মিঠু চৌধুরীর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তবে অভিযানের আগাম খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় মিঠু চৌধুরী।
অভিযানের সময় বাড়িতে উপস্থিত তাঁর স্ত্রী রুম্পি চৌধুরীকে (কাল্পনিক নাম) জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্বীকার করেন, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ঘটনাস্থল থেকে রুম্পি চৌধুরীকে আটক করা হয়। পাশাপাশি নির্মল মালাকার নামে আরও এক ব্যক্তিকেও আটক করে পুলিশ। জানা গেছে, নির্মল মালাকারের বাড়ি গৌরনগর আরডি ব্লকের রাঙাউটি এলাকায়।
এই অভিযানে ছিলেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রুঘুল এ এবং কৈলাসহর থানার ওসি তাপস মালাকার সহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও টিএসআর জওয়ান। পুলিশের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন দেখা যায়।
কৈলাসহর থানার ওসি তাপস মালাকার বলেন, “গোপন সূত্রের ভিত্তিতে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করি। ঘটনাস্থল থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্রাউন সুগার উদ্ধারo করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত পলাতক থাকলেও তাঁকে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য আমাদের তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি এই মাদক চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে, পলাতক মিঠু চৌধুরীর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ