(লিড) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের পতন শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের অপূরণীয় ক্ষতি : রাষ্ট্রপতি
রাজগির, ৩১ মার্চ (হি.স.): বিহারের রাজগিরে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় আট শতাব্দী ধরে জ্ঞানের এক মহান কেন্দ্র হিসেবে নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছিল। এর পতন শু
রাষ্ট্রপতি


রাজগির, ৩১ মার্চ (হি.স.): বিহারের রাজগিরে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় আট শতাব্দী ধরে জ্ঞানের এক মহান কেন্দ্র হিসেবে নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছিল। এর পতন শুধু ভারতের জন্যই নয়, বরং গোটা বিশ্বের জন্য এক বিশাল বড় ক্ষতি ছিল।

রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, “আধুনিক পরিবেশে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনরুত্থান এবং এর গৌরবময় ঐতিহ্যকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা আমাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের প্রতীক।” স্নাতক উত্তীর্ণদের হাতে ডিগ্রি তুলে দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা মানবতার এক 'যৌথ ঐতিহ্য' লাভ করে।

রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে আরও উল্লেখ করেন যে, এখান থেকে স্নাতক হওয়া ছাত্রছাত্রীরা দুটি জিনিস পান—একটি ডিগ্রি এবং অন্যটি ঐতিহ্য। যেখানে ডিগ্রি তাঁদের ব্যক্তিগত কৃতিত্ব, সেখানে মানবতার যে ঐতিহ্য তাঁরা এখান থেকে অর্জন করেন, তা এক চিরন্তন যৌথ সম্পদ। এই বছর স্নাতক হওয়া ছাত্রছাত্রীদের অর্ধেকেরও বেশি ৩০টিরও বেশি দেশ থেকে আসায় তিনি বিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “ভগবান মহাবীর এবং বুদ্ধ বিহারের এই পুণ্যভূমি থেকেই সমগ্র মানবজাতিকে অহিংসা, করুণা ও প্রেমের বার্তা দিয়েছিলেন।” সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আগে তিনি একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন এবং 'নেট-জিরো নির্গমন'-এর লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রপতি মুর্মু জানান, এই ক্যাম্পাস একটি 'নেট-জিরো ক্যাম্পাস' হওয়ার যাত্রার মাধ্যমে স্থায়িত্বের প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করছে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির উচিত এমন উদাহরণ পেশ করে সমাজকে নেতৃত্ব দেওয়া।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande