উত্তরপাড়ায় তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ, একগুচ্ছ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কল্যাণ-শীর্ষণ্যর
হুগলি, ১২ এপ্রিল (হি.স.): ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তরপাড়া কেন্দ্রে কোমর বেঁধে প্রচারে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা তাঁর পুত্র শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থ
উত্তরপাড়ায় তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ, একগুচ্ছ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কল্যাণ-শীর্ষণ্যর


হুগলি, ১২ এপ্রিল (হি.স.): ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তরপাড়া কেন্দ্রে কোমর বেঁধে প্রচারে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা তাঁর পুত্র শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে দলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেন। উত্তরপাড়ার সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এই ইস্তাহারে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

প্রকাশিত ইস্তাহারে উত্তরপাড়ার ঐতিহ্য ও আধুনিকতাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো কোন্নগরের অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত বাগানবাড়ির সংরক্ষণ ও সংস্কার। এ ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রে জোয়ার আনতে কোন্নগর নগেন্দ্রনাথ কুণ্ডু বিদ্যামন্দিরের আধুনিকীকরণ এবং সেখানে পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের অধীনে ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যমে পঠনপাঠন শুরু করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

ইস্তাহারে কর্মসংস্থান ও কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে জানানো হয়েছে, কোতারং এলাকায় পুরসভার খালি জমিতে একটি নার্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি হিন্দমোটর অঞ্চলের শিল্প পরিকাঠামোকে পুনরুজ্জীবিত করে স্থানীয় স্তরে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে রাজবাড়ি হাসপাতালকে আধুনিক ট্রমা সেন্টারে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

কোন্নগর, উত্তরপাড়া শহর এবং সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকায় খেলার মাঠের রক্ষণাবেক্ষণ ও নতুন মাঠ তৈরির কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়াও সমস্ত হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নয়ন, রাস্তাঘাট মেরামত এবং কোন্নগর থেকে সরাসরি কলকাতা পর্যন্ত নতুন পরিবহণ ব্যবস্থা চালুর কথা ইস্তাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিনের অনুষ্ঠানে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন উত্তরপাড়ার প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব ও বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande