অসম ও পশ্চিমবঙ্গে ‘জনবিন্যাস পরিবর্তন’, অনুপ্রবেশ রোধে যৌথ টাস্ক ফোর্স গঠনের আহ্বান হিমন্তবিশ্বের
মালদা, ১৭ এপ্রিল (হি.স.) : অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে জনবিন্যাসের পরিবর্তিত ধারায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা মোকাবিলায় উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্ৰহণের আহ্বান জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজে
মালদায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা


মালদা, ১৭ এপ্রিল (হি.স.) : অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে জনবিন্যাসের পরিবর্তিত ধারায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা মোকাবিলায় উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্ৰহণের আহ্বান জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা।

আজ শুক্ৰবার মালদার বৈষ্ণবনগরে বিজেপি-প্রার্থী রাজু কর্মকারের সমর্থনে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী সমাবেশে রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র হামলা করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. শর্মা।

সভা শেষে এখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা দাবি করেন, আদমশুমারি-পরবর্তী তথ্যে মুসলিম জনসংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩২ শতাংশ এবং অসমে প্রায় ৩৬ শতাংশে পৌঁছতে পারে। তাঁর বক্তব্য, এই পরিবর্তন বাংলাদেশ থেকে অব্যাহত অবৈধ অনুপ্রবেশের ফসল।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব বলেন, অসম, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অন্যান্য পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিকে নিয়ে যৌথ টাস্ক ফোর্স গঠন না করলে সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের সমস্যা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে বাংলাদেশিরা ভারতে প্রবেশ করতেই থাকবে।

ড. শর্মা আরও বলেন, প্রতিটি আদমশুমারি (জনগণনা) পর্বে মুসলিম জনসংখ্যা চার থেকে পাঁচ শতাংশ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রবণতা অসম এবং পশ্চিমবঙ্গ উভয় রাজ্যেই দেখা যাচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হিমন্তবিশ্ব বলেন, দেশের সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব তাঁদের ওপরও বর্তায়। এই সমস্যার সমাধানে অসম, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং মেঘালয়ের মতো রাজ্যগুলির যৌথ উদ্যোগ জরুরি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে নিয়ন্ত্রণহীন অনুপ্রবেশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande