প্রয়াত অসমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী যতীন মালি
গুয়াহাটি, ১৭ এপ্রিল (হি.স.) : চলে গেলেন অসমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী যতীন মালি। আজ শুক্রবার ৬৯ বছর বয়সে গুয়াহাটির বেসরকারি ডাউন টাউন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন চারবারের বিধায়ক তথা অসম গণ পরিষদ (অগপ)-নেতা। ডাউনটাউন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জ
অসমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী যতীন মালি (ফাইল ফটো)


গুয়াহাটি, ১৭ এপ্রিল (হি.স.) : চলে গেলেন অসমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী যতীন মালি। আজ শুক্রবার ৬৯ বছর বয়সে গুয়াহাটির বেসরকারি ডাউন টাউন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন চারবারের বিধায়ক তথা অসম গণ পরিষদ (অগপ)-নেতা।

ডাউনটাউন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জারিকৃত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আজ সকালে রুক্মিণীগাঁওয়ে নিজস্ব বাসভবনে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয় যতীন মালির। দুপুর প্রায় ১২টার দিকে তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ডাক্তাররা তাঁকে স্থিতিশীল করতে সবরকম চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ডাক্তারদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

আনুষ্ঠানিক মৃত্যু ঘোষণার পর অন্তিম সংস্কারের জন্য প্রয়াতের মরদেহটি প্রথমে রুক্মিণীগাঁওয়ের বাসভবনে এবং পরে পলাশবাড়ির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

অসমের একজন প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত প্রয়াত যতীন মালি অসম গণ পরিষদ (অগপ) সরকারের সময় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পালাশবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে চারবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

১৯৮৫, ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০১১ সালে পালাশবাড়ি থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে তিনি ওই অঞ্চলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করেন। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি একই কেন্দ্র থেকে নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে মালির জনজীবন কয়েক দশক ধরে বিস্তৃত ছিল। ১৯৭৬-৭৭ সালে তিনি দক্ষিণ কামরূপ ছাত্র সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১৯৮১ সালে সারা অসম ছাত্র সংস্থার রাজ্য কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে অসম চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।

১৯৮৩ সালে তিনি উত্তরপূর্ব ছাত্র সংস্থার সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া, ১৯৬৭, ১৯৭১ এবং ১৯৭৭ সালে অসমের কলিয়াবর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে তিনি রাজ্যের পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতেও কিছুদিন বিচরণ করেছেন যতীন মালি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande