বিহারের মাছের চাহিদা দেশ-বিদেশে বৃদ্ধি, ৩৯ হাজার টনের বেশি রপ্তানি
পাটনা, ২২ এপ্রিল (হি.স.): মাছ উৎপাদনে আত্মনির্ভরতার পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রেও দ্রুত এগোচ্ছে বিহার। বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট প্রায় ৩৯.০৭ হাজার টন মাছ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশে পাঠানো হয়েছে। রপ্তানির তালিকা
বিহারের মাছের চাহিদা দেশ-বিদেশে বৃদ্ধি, ৩৯ হাজার টনের বেশি রপ্তানি


পাটনা, ২২ এপ্রিল (হি.স.): মাছ উৎপাদনে আত্মনির্ভরতার পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রেও দ্রুত এগোচ্ছে বিহার। বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট প্রায় ৩৯.০৭ হাজার টন মাছ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশে পাঠানো হয়েছে। রপ্তানির তালিকায় রয়েছে নেপাল সহ শিলিগুড়ি, লুধিয়ানা, অমৃতসর, বারাণসী, গোরক্ষপুর, দেওরিয়া, কাপ্তানগঞ্জ, রাঁচি -সহ একাধিক শহর।

রাজ্যের উৎপাদিত মাছের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে এই রপ্তানির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। বিহার সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দফতর এই খাতে রপ্তানি বাড়াতে সক্রিয় উদ্যোগ নিচ্ছে।

মৎস্যচাষ ও জলচাষের ক্ষেত্রে বিহারে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কম জমিতে বেশি উৎপাদনের সুযোগ থাকায় এই খাত কৃষকদের কাছে লাভজনক হয়ে উঠছে। কৃষি রোডম্যাপের আওতায় রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে মৎস্যচাষে জোর দিচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে মাছ উৎপাদন প্রায় ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৩-১৪ সালে জাতীয় স্তরে বিহারের অবস্থান ছিল নবম, যা ২০২৩-২৪ সালে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে।

উৎপাদনের নিরিখে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে রাজ্যে ৮.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়েছিল, যা ২০২৪-২৫ সালে বেড়ে ৯.৫৯ লক্ষ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির ফলেই রপ্তানির ক্ষেত্রেও গতি এসেছে।

এছাড়াও, ভোক্তা ও মৎস্যচাষিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পাটনা-সহ একাধিক পুরনিগম এলাকায় ‘ফ্রেশ ক্যাচ ফিশ’ আউটলেট চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে জীবন্ত ও টাটকা মাছ বিক্রি করা হবে। সরকারের এই উদ্যোগে মৎস্যচাষিদের আয় বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande