
হাওড়া, ২৫ এপ্রিল (হি.স.): হাওড়ার বালির জনসভা থেকে বিজেপিকে নিশানা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাদের যারা অপমানিত করেছে। খাওয়া নিয়ে ব্যঙ্গ করেছে। আমরা বাংলায় কথা বলি বলে জেলে ঢোকানো হয়েছে অন্য রাজ্যে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে বলছেন বাংলায় কথা বললে জেলে ঢুকিয়ে দেবেন। যারা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে। রবীন্দ্রনাথের নাম বিকৃত করছে তাদের জবাব দিন। প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, ৪ তারিখের পর আসবেন। ভোটের সময় শুধু বেলুড় মঠ গেলে হবেনা। ঝালমুড়ি খেলেও হবেনা। কলকাতার শুধু ঝালমুড়ি নয়, রসগোল্লা ঘুঘনি সব ভালো। যার দোকানে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খাচ্ছেন সেই দোকানদার বলছেন, দিদি বানিয়ে দিয়েছে দোকান। আর তাঁর বাড়ি বিহারে। বিহারে এত কর্মসংস্থান থাকলে এরা এখানে কেন? আমাদের পাল্টাতে গিয়ে নিজেরাই পাল্টে গেছে। আমাদের খাওয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নিজেরাই এখন মাছ খাচ্ছেন। আমাকে বলছে, আমি নাকি গালি দিয়েছি, আমি ১৫ বছরে খারাপ কথা বলিনি। উনি বলছেন উল্টা লটকা দেগা। আমার বাড়ি, আমার পাড়া, আমার রাজ্য, আমার জন্মভূমি তুমি বহিরাগত এসে আমাকে ধমকাবে চমকাবে? আমি শুধু বলেছি মাথা ঠান্ডা রাখুন। মায়েরা, দিদিরা, বোনেরা এখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। দশ হাজার গরিব মানুষ গত দু’বছরে বাংলার বাড়ি পেয়েছেন। কেন্দ্র সরকার বাড়ির টাকা আটকেছে, যদি বিজেপির প্রার্থী প্রমাণ করতে পারে পাঁচ বছরে মোদী সরকার আবাস যোজনায় এক পয়সা দিয়েছে মানুষের জন্য, আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।
এমনভাবে জবাব দিতে হবে, যাতে মানুষের সঙ্গে বেইমানি করার আগে বিজেপি নেতারা একশোবার ভাবে। আমাদের যাঁরা বাংলাদেশি বলে, আমাদের যাঁরা রোহিঙ্গা বলে, আমার চ্যালেঞ্জ! আমি এখানে আমাদের সরকারের রিপোর্ট কার্ড নিয়ে এসেছি। বিজেপির যিনি প্রার্থী হয়েছেন যদি সৎ সাহস থাকে, প্রচারের এখনও তিনদিন বাকি রয়েছে; জায়গা ঠিক করুন মঞ্চ বাঁধুন বারো বছর নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায়, পনেরো বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায়, আমি যা কাজের হিসাবে দেব তার পাঁচ শতাংশ হিসাব যদি বিজেপি দিতে পারে, আমি আর তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোট চাইতে আপনাদের কাছে আসবো না।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ