কাজিরাঙ্গা থেকে মধ্যপ্রদেশে আসছে চার বুনো মহিষ, পুনর্বাসন কর্মসূচির সূচনা
ভোপাল, ২৮ এপ্রিল (হি.স.): প্রায় একশো বছর পর মধ্যপ্রদেশে ফের ফিরে আসছে বুনো মহিষ। অসমের কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান থেকে চারটি বুনো মহিষ আনা হচ্ছে রাজ্যে। মঙ্গলবার বালাঘাট জেলার সূপখর এবং তোপলা এলাকায় এই পুনর্বাসন কর্মসূচির সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মোহন
কাজিরাঙ্গা থেকে মধ্যপ্রদেশে আসছে চার বুনো মহিষ, পুনর্বাসন কর্মসূচির সূচনা


ভোপাল, ২৮ এপ্রিল (হি.স.): প্রায় একশো বছর পর মধ্যপ্রদেশে ফের ফিরে আসছে বুনো মহিষ। অসমের কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান থেকে চারটি বুনো মহিষ আনা হচ্ছে রাজ্যে। মঙ্গলবার বালাঘাট জেলার সূপখর এবং তোপলা এলাকায় এই পুনর্বাসন কর্মসূচির সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আনা চারটি মহিষের মধ্যে তিনটি মাদি এবং একটি পুরুষ। এগুলিকে তাদের নতুন প্রাকৃতিক আবাসে ছেড়ে দেওয়া হবে কানহা টাইগার রিজার্ভ-এ। এই উদ্যোগের ফলে শুধু প্রজাতি সংরক্ষণই নয়, রাজ্যের বন পরিবেশ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের প্রথম ধাপে চারটি মহিষ ইতিমধ্যেই যাত্রা শুরু করেছে। ভবিষ্যতে মোট ৫০টি মহিষকে ‘ফাউন্ডার পপুলেশন’ হিসেবে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমেই আরও ৮ টি মহিষ স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মধ্যপ্রদেশ ও অসমের মধ্যে বন্যপ্রাণী বিনিময়ের নতুন দিগন্তও খুলছে। অসম থেকে গণ্ডারের জোড়া আনা হবে বন বিহার জাতীয় উদ্যান-এ, আর তার বদলে মধ্যপ্রদেশ থেকে অসমে পাঠানো হবে বাঘ ও কুমির।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত শিকার, মানুষের হস্তক্ষেপ এবং বাসস্থান নষ্ট হওয়ার ফলে প্রায় এক শতাব্দী আগে মধ্যপ্রদেশ থেকে বুনো মহিষ বিলুপ্ত হয়ে যায়। ১৯৭৯ সালে শেষবার কানহা সূপখার এলাকায় এদের দেখা মিলেছিল।

ভারতীয় বনজীবন সংস্থার সমীক্ষায় কানহাকে এই প্রজাতির পুনর্বাসনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিস্তীর্ণ ঘাসভূমি, পর্যাপ্ত জলের উৎস এবং কম মানব হস্তক্ষেপ। এই সব মিলিয়ে নতুন পরিবেশে বুনো মহিষদের মানিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande