নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই টিকিট বুকিং পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা
নয়ডা, ২৯ এপ্রিল (হি.স.): ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিয়োরিটি (বিসিএএস)-র অনুমোদন মেলার পর নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান পরিষেবা চালুর পথ কার্যত পরিষ্কার হয়ে গেল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই টিকিট বুকিং পরিষেবা শ
নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই টিকিট বুকিং পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা


নয়ডা, ২৯ এপ্রিল (হি.স.): ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিয়োরিটি (বিসিএএস)-র অনুমোদন মেলার পর নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান পরিষেবা চালুর পথ কার্যত পরিষ্কার হয়ে গেল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই টিকিট বুকিং পরিষেবা শুরু হতে পারে।

বুধবার যমুনা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেড (ওয়াইএপিএল) জানিয়েছে, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম ও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়েছে। এখন বিমান সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে পরিষেবা শুরুর দিনক্ষণ নির্ধারণের কাজ চলছে। সব ব্যবস্থাকে চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদভাবে পরিষেবা শুরু করাই লক্ষ্য।

প্রাথমিকভাবে মে মাসের শেষের দিকে ১৭টি শহরের সঙ্গে বিমান পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে শুধুমাত্র দেশীয় ও পণ্যবাহী উড়ান চালু হবে। এই পরিষেবা চালুর জন্য ইন্ডিগো , এয়ার ইন্ডিয়া এবং আকাসা এয়ার-এর সঙ্গে আলোচনা চলছে। টিকিট বুকিং শুরু হলেই গন্তব্য শহরগুলির তালিকাও প্রকাশ করা হবে।

অধিকাংশ প্রশাসনিক ও কারিগরি বাধা ইতিমধ্যেই দূর করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি সংস্থার শীর্ষ পদে পরিবর্তন এনে নীতু সমরাকে অন্তর্বর্তী প্রধান নির্বাহী আধিকারিক করা হয়েছে এবং ক্রিস্টোফ শ্নেলমানকে পরিচালনা পর্ষদে কার্যনির্বাহী সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যাত্রী পরিষেবার শুল্ক নির্ধারণের প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে। এয়ারপোর্ট ইকোনমিক রেগুলেটরি অথরিটি ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির সঙ্গে আলোচনা করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য ব্যবহার উন্নয়ন ফি নির্ধারণ করা হতে পারে, যা ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩১ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রযোজ্য হতে পারে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত ২৮ মার্চ এই বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেন। প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১৩৩৪ হেক্টর এলাকায় নির্মিত এই প্রকল্পে রানওয়ে, যাত্রী টার্মিনাল, নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার এবং পণ্যবাহী কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। আন্তর্জাতিক টার্মিনালের কাজ এখনও চলছে।

কর্তৃপক্ষের আশা, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে নিয়মিত বিমান পরিষেবা চালু করা সম্ভব হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande