অচেনা ব্যক্তিকে ফোন দিলে হতে পারে বড় বিপদ, সতর্ক করল পুলিশ
জয়পুর, ৩ এপ্রিল (হি.স.): অচেনা কাউকে জরুরি ফোন করার জন্য নিজের মোবাইল দেওয়া ছোট সাহায্য মনে হলেও, তা বড় বিপদের কারণ হতে পারে—এমনই সতর্কবার্তা জারি করেছে রাজস্থান পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা। শুক্রবার পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে প্রতারকরা
অচেনা ব্যক্তিকে ফোন দিলে হতে পারে বড় বিপদ, সতর্ক করল পুলিশ


জয়পুর, ৩ এপ্রিল (হি.স.): অচেনা কাউকে জরুরি ফোন করার জন্য নিজের মোবাইল দেওয়া ছোট সাহায্য মনে হলেও, তা বড় বিপদের কারণ হতে পারে—এমনই সতর্কবার্তা জারি করেছে রাজস্থান পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা।

শুক্রবার পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে প্রতারকরা নতুন নতুন কৌশলে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে। বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, পার্ক বা পর্যটনস্থলে ‘জরুরি ফোন’ করার অজুহাতে মোবাইল নিয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই প্রতারণা করা হচ্ছে।

সাইবার ক্রাইম বিভাগের ডিআইজি শান্তনু কুমার সিং জানান, সবচেয়ে বিপজ্জনক কৌশল হল ‘কল ফরওয়ার্ডিং স্ক্যাম’। এতে প্রতারকরা মোবাইল থেকে একটি কোড ডায়াল করে দেয়, ফলে ফোনে আসা ওটিপি তাদের কাছে চলে যায়। এরপর সহজেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবেশ করতে পারে তারা।

এছাড়াও, অনেক ক্ষেত্রে মোবাইলে গোপনে স্পাইওয়্যার বা কী-লগার ইনস্টল করে দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে পাসওয়ার্ড, ব্যাঙ্ক তথ্যসহ ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা সম্ভব। এমনকি কন্ট্যাক্ট লিস্ট ব্যবহার করে আত্মীয়দের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

পুলিশ সতর্ক করেছে, আপনার মোবাইল ব্যবহার করে যদি কোনও বেআইনি কাজ করা হয়, তাহলে তদন্তে আপনার নম্বর জড়িয়ে যেতে পারে এবং আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে নিজের হাতে নম্বর ডায়াল করে স্পিকারে কথা বলাতে। কোনও অবস্থাতেই অচেনা ব্যক্তির হাতে আনলক মোবাইল তুলে না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভুলবশত মোবাইল দিলে সঙ্গে সঙ্গে *#21# ডায়াল করে কল ফরওয়ার্ডিং চেক করতে এবং ##002# ডায়াল করে তা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সমস্ত পেমেন্ট অ্যাপে পিন বা বায়োমেট্রিক লক সক্রিয় রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সাইবার প্রতারণার শিকার হলে অবিলম্বে ১৯৩০ নম্বরে ফোন করে বা নিকটবর্তী সাইবার হেল্পডেস্কে অভিযোগ জানানোর আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande