রাজ্যে শিক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে কটাক্ষ বিজেপি-র
কলকাতা, ৩ এপ্রিল (হি.স.) : “পশ্চিমবঙ্গে গত ১৫ বছরে একাধিক দুর্নীতির মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ও ন্যাক্কারজনক হলো শিক্ষা দুর্নীতি। এই দুর্নীতির ফলে প্রায় ২৬,০০০ মানুষের চাকরি চলে যাওয়া—যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এই ঘটনা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতার
রাজ্যে শিক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে কটাক্ষ বিজেপি-র


কলকাতা, ৩ এপ্রিল (হি.স.) : “পশ্চিমবঙ্গে গত ১৫ বছরে একাধিক দুর্নীতির মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ও ন্যাক্কারজনক হলো শিক্ষা দুর্নীতি। এই দুর্নীতির ফলে প্রায় ২৬,০০০ মানুষের চাকরি চলে যাওয়া—যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এই ঘটনা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতার উদাহরণ নয়, বরং গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর গভীর আঘাত।” শুক্রবার শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি, তার প্রভাব এবং বিজেপির অঙ্গীকার নিয়ে এই মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র অধ্যাপক বিমলশঙ্কর নন্দ।

তিনি বলেন, এই দুর্নীতির ফলে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার মান, ঐতিহ্য ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাধারণ ও নিম্নবিত্ত পরিবারের পড়ুয়ারা, যারা সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল, তারাও আজ বাধ্য হয়ে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছে বা রাজ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে।

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের ফলে শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা ও সম্মানও মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে এমন বহু ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে যেখানে অযোগ্য ব্যক্তিরা অর্থের বিনিময়ে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছেন। এর ফলে শিক্ষকতা পেশার প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে পড়েছে।

এছাড়াও, শিল্পায়নের অভাবে পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষিত যুবকদের কাছে শিক্ষকতা অন্যতম প্রধান কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র। কিন্তু এই ক্ষেত্রেই অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে শিক্ষিত বেকারদের মধ্যে চরম হতাশা তৈরি হয়েছে। বহু নতুন কলেজ স্থাপিত হলেও সেখানে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো বা ছাত্রসংখ্যা নেই।

বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও আইনি জটিলতা চলছে, যার ফলে প্রায় ৪২,০০০ শিক্ষকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। সব মিলিয়ে, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা এক গভীর সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande