অনিল আম্বানির ব্যাংক জালিয়াতি মামলায় শুনানি পিছাল সুপ্রিম কোর্ট
নয়াদিল্লি, ৩০ এপ্রিল (হি.স.): ব্যাংক জালিয়াতির অভিযোগে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস ও তার প্রাক্তন কর্ণধার অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার শুনানি পিছিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ
অনিল আম্বানির ব্যাংক জালিয়াতি মামলায় শুনানি পিছাল সুপ্রিম কোর্ট


নয়াদিল্লি, ৩০ এপ্রিল (হি.স.): ব্যাংক জালিয়াতির অভিযোগে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস ও তার প্রাক্তন কর্ণধার অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার শুনানি পিছিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত নেয়।

বৃহস্পতিবারের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই ও ইডির পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, উভয় সংস্থা নতুন স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

অন্যদিকে আবেদনকারীর আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ দাবি করেন, স্ট্যাটাস রিপোর্টে যাকে মূল অভিযুক্ত বা “কিংপিন” বলা হচ্ছে, তিনি এখনও গ্রেফতার হননি, যদিও অনিল আম্বানির নাম উঠে এসেছে। এর জবাবে মেহতা বলেন, তদন্তকারী সংস্থাগুলি কেন কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি তার ব্যাখ্যা দিতে পারে না, তারা শুধু স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

অনিল আম্বানির পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে জানান, তিনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে চান যা আগে কোনও আদালতে জানানো হয়নি। আদালত তাকে পরবর্তী শুনানিতে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এর আগে ২৩ মার্চ আদালত সিবিআই ও ইডির তদন্তে ধীরগতির জন্য অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছিল, মামলার তদন্তে গাফিলতি ও অনীহা দেখা যাচ্ছে। আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, তদন্ত হতে হবে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে।

শুনানিতে ইডি জানায়, একটি বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করা হয়েছে এবং সিবিআই লেনদেন সংক্রান্ত অডিট শুরু করেছে। প্রশান্ত ভূষণ অভিযোগ করেন, সেবি রিপোর্টে বড় ধরনের জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের উল্লেখ থাকলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

৪ ফেব্রুয়ারি আদালত নির্দেশ দেয় অনিল আম্বানি দেশ ছাড়তে পারবেন না বিনা অনুমতিতে, যা তিনি মেনে চলার আশ্বাস দেন। ২৩ জানুয়ারি মামলায় সিবিআই ও ইডির কাছে স্ট্যাটাস রিপোর্ট তলব করা হয়েছিল।

জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব ই.এ.এস. শর্মা। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৭-০৮ সাল থেকে চলা এই অর্থ কেলেঙ্কারিতে সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতি হয়েছে, যা ভারতের অন্যতম বৃহৎ কর্পোরেট কেলেঙ্কারি হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande