নেপালের মুক্তিনাথ মন্দিরে ভারী তুষারপাত: সাদা চাদরে ঢাকা মুস্তাং, বাড়ছে ঠান্ডা
কাঠমান্ডু, ৫ এপ্রিল ( হি. স.): নেপালের অন্যতম প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান মুস্তাং জেলার মুক্তিনাথ মন্দির ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে শনিবার রাত থেকে শুরু হয়েছে ভারী তুষারপাত। এই প্রবল তুষারপাতের ফলে গোটা এলাকা এখন সাদা বরফের চাদরে ঢাকা। মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু
তুষারপাত


কাঠমান্ডু, ৫ এপ্রিল ( হি. স.): নেপালের অন্যতম প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান মুস্তাং জেলার মুক্তিনাথ মন্দির ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে শনিবার রাত থেকে শুরু হয়েছে ভারী তুষারপাত। এই প্রবল তুষারপাতের ফলে গোটা এলাকা এখন সাদা বরফের চাদরে ঢাকা। মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে স্থানীয় বাজার এবং বাস টার্মিনাল— সর্বত্রই এখন শুধুই বরফের দেখা মিলছে।

বারাগুং মুক্তিক্ষেত্র এলাকার রাণীপাউয়া বাসস্ট্যান্ড তুষারপাতের ফলে সম্পূর্ণ সাদা হয়ে গেছে। একইভাবে রাণীপাউয়া বাজার, ঝারকোট এবং আশেপাশের এলাকাগুলিতেও বরফের পুরু আস্তরণ জমেছে। একদিকে যেমন এই তুষারপাত এলাকাটিকে অপূর্ব ও আকর্ষণীয় রূপ দিয়েছে, অন্যদিকে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভোগান্তি।

শুধু মুস্তাং নয়, প্রতিবেশী মনাং জেলার বিভিন্ন অংশেও শনিবার রাত থেকে তুষারপাত হয়েছে। এই আকস্মিক আবহাওয়ার পরিবর্তনে গোটা নেপালে হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় তাপমাত্রার ব্যাপক পতন ঘটেছে। হাড়কাঁপানো ঠান্ডার কারণে স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হতে শুরু করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

মুক্তিনাথ মন্দির নেপালের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হওয়ার কারণে সারা বছরই এখানে অসংখ্য পুণ্যার্থী ও পর্যটকের সমাগম হয়ে থাকে। তুষারপাতের ফলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেলেও যাতায়াত এবং দৈনন্দিন কাজে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তায় বরফ জমে যাওয়ার ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটক এবং তীর্থযাত্রীদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande