ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ধারা ১২৬ মেনে চলার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের
গুয়াহাটি, ৮ এপ্রিল (হি.স.) : অসমের সমস্ত ইলেকট্রনিক মিডিয়া সংস্থাকে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর বিধানসমূহ, বিশেষ করে ধারা ১২৬ কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগে ৪৮ ঘণ্টার ‘নীরবতা পর্ব’-এ নির
নির্বাচন কমিশন_প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র


গুয়াহাটি, ৮ এপ্রিল (হি.স.) : অসমের সমস্ত ইলেকট্রনিক মিডিয়া সংস্থাকে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর বিধানসমূহ, বিশেষ করে ধারা ১২৬ কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগে ৪৮ ঘণ্টার ‘নীরবতা পর্ব’-এ নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও বিষয়বস্তু প্রচার করা নিষিদ্ধ।

অসম রাজ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই সময়কালে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের নির্বাচন সম্পর্কিত কোনও জনসভা বা মিছিলের আয়োজন, তাতে অংশগ্রহণ বা ভাষণ দেওয়া নিষিদ্ধ থাকবে। এছাড়া টেলিভিশন, সিনেমাটোগ্রাফি বা অন্য যে কোনও মাধ্যমে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়বস্তু প্রচার বা প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে সংগীতানুষ্ঠান, নাট্য প্রদর্শনী বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান করে নির্বাচনী প্রচার করাও এই নীরবতা পর্বে নিষিদ্ধ থাকবে।

আইনি বিধান অনুযায়ী, ধারা ১২৬ লঙ্ঘন করলে দোষীদের সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। ‘নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়বস্তু’ বলতে এমন যে কোনও বিষয়বস্তুকে বোঝায় যা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে কিংবা সেই উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ মিডিয়া সংস্থাগুলিকে সতর্ক করে বলেছে, এই সময়কালে এমন কোনও সংবাদ, বিশ্লেষণ, প্যানেল আলোচনা, বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনও সম্প্রচার করা যাবে না যা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই নির্দেশগুলি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই নির্দেশ পূর্বে জারিকৃত আদেশের পুনরাবৃত্তি এবং কোনও ধরনের লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande