তিপ্রা মথা পার্টি রাজনীতির সংজ্ঞাকেই বিকৃত করেছে : মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা, ৮ এপ্রিল (হি.স.) : ত্রিপুরার রাজনৈতিক ময়দানে ফের উত্তাপ ছড়াল শাসক-বিরোধী তরজা। টিএমপি (তিপ্রা মথা পার্টি)-কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা দলটিকে ‘তিপ্রা মারপিট পার্টি’ বলে আখ্যা দেন। তাঁর অভিযোগ, টিএমপি হিংসা ছ
মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা


আগরতলা, ৮ এপ্রিল (হি.স.) : ত্রিপুরার রাজনৈতিক ময়দানে ফের উত্তাপ ছড়াল শাসক-বিরোধী তরজা। টিএমপি (তিপ্রা মথা পার্টি)-কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা দলটিকে ‘তিপ্রা মারপিট পার্টি’ বলে আখ্যা দেন। তাঁর অভিযোগ, টিএমপি হিংসা ছাড়া আর কিছুই বোঝে না এবং রাজনীতির সংজ্ঞাকেই বিকৃত করেছে।

বুধবার সিপাহীজলা জেলার টাকারজলা-জাম্পুইজলা আসনে বিজেপি-র মনোনীত প্রার্থী নির্মল দেববর্মার সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “কিছু কিছু এলাকায় টিএমপি-র দুষ্কৃতকারীরা গুলি চালানোর মতো ঘটনাও ঘটিয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সর্বদা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এবং সহিংসতার রাজনীতিকে কখনও সমর্থন করে না। তিনি বলেন, “বিজেপি মানুষের আস্থা ও উন্নয়নের রাজনীতি করে, ভয়ভীতি প্রদর্শনের নয়।”

এই প্রসঙ্গে তিনি ত্রিপুরার টিএমপি এবং পশ্চিমবঙ্গের টিএমসি-র মধ্যে তুলনা টেনে বলেন, দুই দলই রাজনৈতিক স্বার্থে মানুষের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করে। তাঁর কথায়, “এরা গণতন্ত্রের পথ ছেড়ে সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।”

মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা আরও বলেন, বিজেপি কোনও ধরনের হুমকি বা ভয়ভীতিকে ভয় পায় না। তিনি উল্লেখ করেন, “আমাদের দলের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তাই আমরা মানুষের জন্য নির্ভয়ে কাজ করে যাচ্ছি।”

আগামী নির্বাচনের প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, টিটিএএডিসি এলাকায় ‘ট্রিপল-ইঞ্জিন’ সরকার গঠন এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র এবং কোনও শক্তিই তা আটকাতে পারবে না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বিজেপি সরকার গঠন করলে সমস্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিনের সভায় জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা সভাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপাহীজলা জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুপ্রিয়া দাস দত্ত-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande