খড়গপুরে রেকর্ড জয়ের দাবি বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের
খড়গপুর, ৯ এপ্রিল ( হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে গড়ে তোলার নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে পরিচিত দিলীপ ঘোষ। সংগঠনের দক্ষতা এবং রাজনৈতিক কৌশলের ওপর ভর করে তিনি একটি দলকে প্রধান বিরোধী শক্তিতে রূ
দিলীপ ঘোষ


খড়গপুর, ৯ এপ্রিল ( হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে গড়ে তোলার নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে পরিচিত দিলীপ ঘোষ। সংগঠনের দক্ষতা এবং রাজনৈতিক কৌশলের ওপর ভর করে তিনি একটি দলকে প্রধান বিরোধী শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন। আসন্ন ২০২৬-এর নির্বাচনে সেই দিলীপ ঘোষকে আবারও তাঁর পুরনো দুর্গ খড়গপুর সদরের প্রার্থী করেছে দল।

দীর্ঘদিনের সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ দিলীপ ঘোষ ১৯৮০ সালে গোপীবল্লভপুর থেকে মাধ্যমিক এবং পরবর্তীতে ২০ বছর বয়সে প্রচারক হিসেবে জীবন শুরু করেন। তৃণমূল স্তরে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্বল করে ২০১৫ সালে তিনি যখন রাজ্য বিজেপির ব্যাটন হাতে নেন, তখন সংগঠন ছিল ভঙ্গুর। এরপর ২০১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচন, ২০১৯-এর লোকসভায় ১৮টি আসন এবং ২০২১-এর বিধানসভায় ৭৭টি আসনে দলের উত্থান তাঁর নেতৃত্বেই ঘটেছিল। যদিও ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর থেকে সরিয়ে তাঁকে বর্ধমান-দুর্গাপুরে প্রার্থী করা হলে তিনি পরাজিত হন। তবে এবার নিজের পরিচিত খড়গপুর সদর কেন্দ্রে ফিরে এসে রেকর্ড জয়ের বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, খড়গপুরে এবার রেকর্ড ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে বর্তমান শাসকদলের বিরুদ্ধে মানুষের মনে ক্ষোভ ও ভয়ের পরিবেশ রয়েছে এবং তিন শতাধিক বিজেপি কর্মীর আত্মবলিদান বৃথা যাবে না। প্রতিদিন সকালে ‘প্রাতঃভ্রমণ’ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শুনছেন তিনি। নিজের নির্বাচনী লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার স্পষ্ট করে তিনি জানান, তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলো ‘নতুন খড়গপুর’ নির্মাণ করা। শহরকে মাফিয়া ও দুর্নীতিমুক্ত করার পাশাপাশি আধুনিক নিকাশি ব্যবস্থা এবং দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দিচ্ছেন। এছাড়া প্রতিটি বাড়িতে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া, যুবকদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করা এবং সড়কের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন তিনি।

দিলীপ ঘোষ আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখেই তিনি মানুষের আশীর্বাদ চাইছেন। ‘পরিবর্তনের প্রয়োজন’ এবং ‘বিজেপি সরকার’—এই বার্তাকে সামনে রেখেই বুথ স্তরে সংগঠনকে আরও মজবুত করছেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, খড়গপুরের মানুষ এবার নির্ণায়ক রায় দিয়ে তাঁকে জয়ী করবেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande