যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র চাঁচল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল, চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে ভাঙচুর
মালদা, ১ মে (হি. স.) : চিকিৎসার গাফিলতিতে এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠল মালদার চাঁচল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। গভীর রাতে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বর কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত
যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র চাঁচল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল, চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে ভাঙচুর


মালদা, ১ মে (হি. স.) : চিকিৎসার গাফিলতিতে এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠল মালদার চাঁচল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। গভীর রাতে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বর কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। মৃত যুবকের নাম অঙ্কন রায় (৩৪), তিনি মহানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

শুক্রবার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাথরুমে পড়ে যাওয়ার পর অঙ্কনবাবু বুকে জ্বালা অনুভব করেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে দ্বিতীয় তলে মেডিসিন ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রাখি দাসের অভিযোগ, ব্যথায় ছটফট করলেও ডাক্তার ও নার্সরা সময়মতো চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা করেননি। তাঁর দাবি, একটি ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই অঙ্কনের মৃত্যু হয়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু হলে তাঁর স্বামীকে বাঁচানো সম্ভব হতো বলে তিনি জানান।

হাসপাতালের সুপার সুমিত তালুকদার গাফিলতির সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, যখন ওই রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল, তখন তাঁর হাত-পা ঠান্ডা ছিল এবং তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। এছাড়াও তাঁর সুগার এবং বুকে সংক্রমণের সমস্যা ছিল। সুপার আরও জানান যে, দ্বিতীয় তলেও চিকিৎসকের উপস্থিতিতেই চিকিৎসা চলছিল, কোনো গাফিলতি হয়নি।

যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজিত পরিজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা হাসপাতালের ওপর চড়াও হন। হাসপাতালের চেয়ার ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে চাঁচল থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে আটক করেছে। বর্তমানে হাসপাতাল চত্বরে পুলিশি প্রহরা মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande