উত্তর জেলা হাসপাতালে সাফাই কর্মীদের বেতন বকেয়া, ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম জেলা কংগ্রেসের
ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ১৫ মে (হি.স.) : ধর্মনগরের উত্তর জেলা হাসপাতালে কর্মরত সাফাই কর্মীদের চার মাসের বকেয়া বেতন ও ন্যায্য মজুরি প্রদানের দাবিতে সরব হয়েছে কংগ্রেস। শুক্রবার হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে
কংগ্রেসের ডেপুটেশন


ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ১৫ মে (হি.স.) : ধর্মনগরের উত্তর জেলা হাসপাতালে কর্মরত সাফাই কর্মীদের চার মাসের বকেয়া বেতন ও ন্যায্য মজুরি প্রদানের দাবিতে সরব হয়েছে কংগ্রেস। শুক্রবার হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে উত্তর জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ, উত্তর জেলা হাসপাতালে নিযুক্ত অস্থায়ী সাফাই কর্মীরা গত চার মাস ধরে কোনো বেতন পাননি। ফলে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন তাঁরা। দৈনন্দিন সংসার চালানো থেকে শুরু করে সন্তানদের পড়াশোনা ও চিকিৎসা—সব ক্ষেত্রেই সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে শ্রমিক পরিবারগুলিকে।

শুধু বেতন বকেয়াই নয়, কর্মীদের প্রাপ্য মজুরি নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শ্রমিকদের প্রাপ্য অর্থের একটি অংশ মধ্যস্বত্বভোগী সংস্থার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হচ্ছে। এতে কর্মীরা ন্যায্য পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এই অভিযোগ সামনে আসতেই উত্তর জেলা কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি দল উত্তর জেলা হাসপাতালে উপস্থিত হয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন উত্তর জেলা কংগ্রেস সভাপতি দ্বিগবিজয় চক্রবর্তী, প্রদেশ কংগ্রেস সদস্য কেবল কান্তি নন্দী, ধর্মনগর ব্লক কংগ্রেস সভাপতি সুদীপ দাস এবং ত্রিপুরা প্রদেশ মাইনরিটি কংগ্রেসের চেয়ারম্যান হুমায়ুন আহমেদ।

প্রতিনিধি দল হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট (এমএস)-এর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে। বৈঠকে কংগ্রেস নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে শ্রমিকদের ঘাম ঝরানো অর্থ নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

উত্তর জেলা কংগ্রেস সভাপতি দ্বিগবিজয় চক্রবর্তী বলেন, “আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৪৮ ঘণ্টার সময় দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে চার মাসের বকেয়া বএবং ন্যায্য মজুরি প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় জেলা কংগ্রেস ও ব্লক কংগ্রেসের উদ্যোগে হাসপাতাল চত্বরে বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করা হবে।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মনগরসহ গোটা উত্তর জেলায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের বেতন বকেয়া এবং দুর্নীতির অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande