৩২.৬৭ কোটি টাকার প্রতারণা ও মানি লন্ডারিং মামলায় রয়্যাল এস্টেট গ্রুপে ইডির হানা
নয়াদিল্লি, ২৬ মে (হি.স.) : প্রায় ৩২.৬৭ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা, চেক বাউন্স এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পঞ্জাব ও চণ্ডীগড়ে ব্যাপক তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তদন্তকারী সংস্থার নিশানায় রয়েছে রয়্যাল এস্টেট গ্রুপ এবং তাদের সঙ্গে য
৩২.৬৭ কোটি টাকার প্রতারণা ও মানি লন্ডারিং মামলায় রয়্যাল এস্টেট গ্রুপে ইডির হানা


নয়াদিল্লি, ২৬ মে (হি.স.) : প্রায় ৩২.৬৭ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা, চেক বাউন্স এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পঞ্জাব ও চণ্ডীগড়ে ব্যাপক তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তদন্তকারী সংস্থার নিশানায় রয়েছে রয়্যাল এস্টেট গ্রুপ এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সংস্থা ও ব্যক্তি।

মঙ্গলবার ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, চণ্ডীগড় রয়্যাল সিটি প্রোমোটার্স প্রাইভেট লিমিটেড (সিআরসিপিএল)-এর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। সংস্থার জিরকপুরের মূল কার্যালয়-সহ পঞ্জাব ও চণ্ডীগড়ের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়।

এই মামলার সূত্রপাত ২০২৫ সালের ১৯ জুলাই পঞ্জাব পুলিশের দায়ের করা একটি এফআইআর থেকে। পঞ্জাব পুলিশ-এর দায়ের করা অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ এবং ১২০-বি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছিল।

অভিযোগ, সিআরসিপিএল-এর ডিরেক্টর এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা গ্রেটার মোহালি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (জিএমএডিএ)-র প্রাপ্য আইনসম্মত অর্থ পরিশোধে গাফিলতি করেছেন এবং প্রায় ৩২.৬৭ কোটি টাকার চেক বাউন্স ইস্যু করেছেন। মামলাটি এসএএস নগরের করালা গ্রামে নির্মীয়মাণ একটি আবাসন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে।

ইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, সংস্থার উপর জিএমএডিএ-র বিপুল আর্থিক দায় বকেয়া থাকলেও প্রকল্প-সংক্রান্ত অর্থ নাকি অন্য সংস্থা ও ঘনিষ্ঠ পক্ষের মাধ্যমে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, রয়্যাল এস্টেট গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন এবং অর্থ ‘লেয়ারিং’-এরও ইঙ্গিত মিলেছে।

তল্লাশি চলাকালীন প্রবীণ কাঁসল ওরফে রকি, নীরজ কাঁসল, দলজিৎ সিং, অনুরাগ মিধা, লিয়াকত আলি, সুমিত বনসল-সহ একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দফতর ও আবাসস্থলেও অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল ডিভাইস, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মামলার আর্থিক লেনদেনের জাল আরও গভীর হতে পারে এবং সেই দিকটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইডি জানিয়েছে, গোটা ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande