সিবিএসই পরীক্ষার ডিজিটাল মূল্যায়নের টেন্ডার নিয়ে অভিযোগ খারিজ বোর্ডের
নয়াদিল্লি, ২৭ মে (হি.স.) : ২০২৬ সালের বোর্ড পরীক্ষার উত্তরপত্রের ডিজিটাল মূল্যায়নের জন্য কোয়েম্প্ট এডুটেককে টেন্ডার দেওয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগ খারিজ করল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)। বোর্ডের দাবি, অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এ
সিবিএসই পরীক্ষার ডিজিটাল মূল্যায়নের টেন্ডার নিয়ে অভিযোগ খারিজ বোর্ডের


নয়াদিল্লি, ২৭ মে (হি.স.) : ২০২৬ সালের বোর্ড পরীক্ষার উত্তরপত্রের ডিজিটাল মূল্যায়নের জন্য কোয়েম্প্ট এডুটেককে টেন্ডার দেওয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগ খারিজ করল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)। বোর্ডের দাবি, অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

বুধবার সিবিএসই এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংস্থাকে টেন্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে জেনারেল ফিনান্সিয়াল রুলস (জিএফআর)-এর সমস্ত নিয়ম যথাযথভাবে মেনে চলা হয়েছে। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের বোর্ড পরীক্ষার উত্তরপত্রের ডিজিটাল মূল্যায়ন সংক্রান্ত দরপত্র বা আরএফপি ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট কেন্দ্রীয় পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট পোর্টালে প্রকাশ করা হয়েছিল।

বোর্ডের দাবি, নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে যোগ্য দরদাতাকে নির্বাচন করার পরই চুক্তি প্রদান করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াই স্বচ্ছ ও নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানিয়েছে সিবিএসই।

উল্লেখ্য, এর আগে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একটি ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেছিলেন, সিবিএসই পরীক্ষার ফলাফলে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে, যার ফলে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, কোয়েম্প্ট এডুটেক আগে ‘গ্লোবারিনা’ নামে তেলঙ্গানায় বিতর্কে জড়িয়েছিল, তা সত্ত্বেও সংস্থাটিকে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে।

রাহুল গান্ধী আরও অভিযোগ করেন, এটি শুধুমাত্র ভুল নয়, বরং একটি “পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র”। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কার নির্দেশে সংস্থাটিকে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোন কোন নিয়ম উপেক্ষা করা হয়েছে এবং সংস্থার সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের কী সম্পর্ক রয়েছে।

কংগ্রেস নেতা পুরো ঘটনার স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠনের দাবিও জানিয়েছেন। তবে সিবিএসই পুনরায় স্পষ্ট করেছে, পুরো প্রক্রিয়াই স্বচ্ছ ও নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande