গণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা ঘিরে নেপালে জল্পনা, মহেন্দ্র রাজপথ নামকরণে বিতর্ক
কাঠমান্ডু, ৩০ মে (হি.স.) : নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ পরপর দু’টি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস—গণতন্ত্র দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবসে জনগণের উদ্দেশে কোনও শুভেচ্ছাবার্তা না দেওয়ায় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। নেপালে দীর্ঘদিনের র
গণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা ঘিরে নেপালে জল্পনা, মহেন্দ্র রাজপথ নামকরণে বিতর্ক


কাঠমান্ডু, ৩০ মে (হি.স.) : নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ পরপর দু’টি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস—গণতন্ত্র দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবসে জনগণের উদ্দেশে কোনও শুভেচ্ছাবার্তা না দেওয়ায় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

নেপালে দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা ও বার্তা প্রদান করেন। কিন্তু চলতি বছরে ২৪ এপ্রিল পালিত গণতন্ত্র দিবস এবং ২৯ মে পালিত প্রজাতন্ত্র দিবস—কোনও উপলক্ষেই প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ প্রকাশ্যে কোনও বার্তা দেননি।

এছাড়া প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠানেও সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেননি। রাজধানী কাঠমান্ডুর টুন্ডিখেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেলই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন।

সরকারি মহলের দাবি, প্রজাতন্ত্রের সাংবিধানিক প্রতীক হিসেবে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়াই যথাযথ ছিল। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের একাংশের প্রশ্ন, দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক দিবসে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতার কারণ কী?

এরই মধ্যে সরকারের আরেকটি সিদ্ধান্ত নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে । দেশের বৃহত্তম পূর্ব-পশ্চিম মহাসড়কের নাম পরিবর্তন করে প্রয়াত রাজা মহেন্দ্রের নামে ‘মহেন্দ্র রাজপথ’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নেপালকে পূর্ব থেকে পশ্চিমে সংযুক্ত করা এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণকে কেউ ঐতিহাসিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এর মধ্যে রাজনৈতিক বার্তা খুঁজছেন।

যদিও প্রধানমন্ত্রী শাহ বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এমন কোনও সরকারি বক্তব্য দেওয়া হয়নি, যাতে রাজতন্ত্রের প্রতি সরকারের ঝোঁকের ইঙ্গিত মেলে। তবু গণতন্ত্র দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা এবং মহেন্দ্র রাজপথ নামকরণের সিদ্ধান্ত নেপালের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande